বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ দুপুরে ইউএনও এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুর রহমান ওই কেন্দ্র পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি প্রতিটি বুথের চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্যের এজেন্টদের সঙ্গে থাকা মুঠোফোন ফেরত দিতে বলেন। এ সময় এজেন্টরা মুঠোফোন ইউএনওর কাছে জমা দিতে শুরু করেন। এ সময় আজাদ মিয়া তাঁর কাছে মুঠোফোন নেই বলে ইউএনওকে চ্যালেঞ্জ করেন। এতে ইউএনও এক ব্যক্তিকে আজাদ মিয়ার পকেট তল্লাশি করতে নির্দেশ দিলে তাঁর পকেট থেকে একটি স্মার্টফোন উদ্ধার করেন তিনি। এরপর ইউএনও ওই মুঠোফোন কক্ষের মেঝেতে ছুড়ে ভেঙে ফেলেন। পরে তিনি মুঠোফোনের ওপর বেশ কয়েকবার পা দিয়ে চাপ দেন।

ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ বলেন, ‘ইউএনও স্যার একটি মুঠোফোন ভেঙে দিয়েছেন। এজেন্টদের ২৫টি মুঠোফোন আমার কাছে জমা আছে। ভোট গ্রহণ শেষে সেগুলো ফেরত দেওয়া হবে।’

আজাদ মিয়া বলেন, তিনি মিথ্যা বলে ভুল করেছেন। এ জন্য শাস্তিস্বরূপ ইউএনও তাঁর মুঠোফোন ভেঙে ফেলেছেন।

জানতে চাইলে ইউএনও মাহমুদুর রহমান বলেন, ভোটকেন্দ্রের ভেতরে প্রার্থীর এজেন্টদের মুঠোফোন রাখার কোনো নিয়ম নেই। তবে মুঠোফোন ভেঙে দেওয়ার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন