বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম ধাপের ২০ সেপ্টেম্বরের নির্বাচনেও প্রার্থীরা এ রকম আশ্বাস দিয়েছিলেন। তবু মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালটে সিল মারাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে দুজন নিহত হন। এবারও তেমন পরিস্থিতি। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করবেন কীভাবে?

শাহাদাত হোসেন: মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার ঘটনায় আমরা সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচন স্থগিত করেছিলাম। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে ঘণ্টাখানেকের মধ্যে পুনরায় ভোট গ্রহণ শুরু করেছিলাম। এর পরও নির্বাচন স্বতঃস্ফূর্ত ছিল, ৬১ শতাংশ ভোট পড়েছিল। ভোটের প্রতি মানুষের আগ্রহ এখনো প্রবল। আশা করি, এবারও মানুষ ভোট দিতে কেন্দ্রে আসবেন। যোগ্য ও পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন।

তিন উপজেলার ২০৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১৭টি ঝুঁকিপূর্ণ। নিরাপত্তার কী ব্যবস্থা নিলেন?

শাহাদাত হোসেন: বিশেষ টহল থাকবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রামুতে ২২ জন, কক্সবাজার সদরে ১২ ও উখিয়াতে ১২ জন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) একাধিক দল টহলে থাকবে।

প্রতিটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে দলের একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের তৎপরতার কারণে বেশির ভাগ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত হয়েছে। আপনি কী বলবেন?

শাহাদাত হোসেন: এটা সত্যি, সব কটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে দলটির একাধিক নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তাঁরা আমাদের কথা দিয়েছেন যে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন। ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের গোলযোগ সৃষ্টি হলে তাঁরাই দায়ী থাকবেন। বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে যেসব কেন্দ্রে গোলযোগ কিংবা হানাহানির আশঙ্কা আছে, সেসব কেন্দ্রে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন