বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ

নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সদ্যপ্রয়াত মেয়র মনিরুল ইসলামের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস প্রথম আলোকে বলেন, মোট ১৬টি কেন্দ্রের মধ্যে কোনো কেন্দ্রেই তিনি এজেন্ট দিতে পারেননি। সবাইকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের বাইরে গেটে নৌকার সমর্থকেরা চেক করে শুধু নৌকার ভোটারদের ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছেন। তিনি অভিযোগ দিলেও কোনো কাজ হচ্ছে না। এভাবে কোনো ভোট হতে পারে না।

এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে জান্নাতুল ফেরদৌস বলেছিলেন, এলাকায় ভোটের পরিবেশ নেই। নৌকার প্রার্থীর পোস্টারের বাইরে কারও পোস্টার নেই। তাঁর ব্যানার-ফেস্টুন খুলে ফেলা হয়েছে। কর্মী-সমর্থকদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।

default-image

জান্নাতুল ফেরদৌসসহ (নারিকেলগাছ) নির্বাচনের অন্য দুই মেয়র প্রার্থী হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত অয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস (নৌকা) ও বিএনপি–সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া (মুঠোফোন)। এদিকে নির্বাচনের আগের দিন গতকাল বুধবার স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াত নেতা আমিনুল ইসলাম (জগ) ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অয়েজ উদ্দিন বিশ্বাসের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

কেন্দ্রে সাংবাদিক প্রবেশে বাধা, পরীক্ষায় পড়ছেন ভোটাররা

এদিকে সুলতানগঞ্জ দাখিল মাদ্রাসাকেন্দ্রে ঢুকতেই এক আনসার সদস্য বাধা দিয়ে জানান, কেন্দ্রে সাংবাদিক ঢোকা নিষেধ। ওই সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার কেন্দ্র পরিদর্শন করছিলেন। তাঁরা সবাই বলেন, কেন্দ্রের ভেতরে যাওয়া যাবে না। বাইরে থেকে ছবি তুলে চলে যান।

সুলতানগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়ের কেন্দ্রেও একই পরিস্থিতি দেখা গেছে। কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার জনাব আলী বলেন, কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না। বাইরে থেকে যা পান, তাই নিয়ে যান।

দুই প্রার্থীর কাছ থেকে তাঁদের এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে কিছু কেন্দ্রে সকাল আটটার পর এজেন্ট আসায় তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তবে বাকি কেন্দ্রগুলোতে এজেন্ট রয়েছেন।
মশিহুর রহমান, উপজেলা নির্বাচন অফিসার

এই দুই কেন্দ্রে কয়েকজন ভোটার অভিযোগ করে বলেন, কেন্দ্রের বাইরে ভোটার চেক করে প্রবেশ করানো হচ্ছে। নৌকায় ভোট দিলেই কেবল ভেতরে ঢোকা যাচ্ছে। আবার ভোটকেন্দ্রের ভেতরে প্রকাশ্যে ভোট দিতে হচ্ছে।

জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাচন অফিসার মশিহুর রহমান বলেন, তিনি দুই প্রার্থীর কাছ থেকে তাঁদের এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে কিছু কেন্দ্রে সকাল আটটার পর এজেন্ট আসায় তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তবে বাকি কেন্দ্রগুলোতে এজেন্ট রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে ‘বিদ্রোহী’ হয়ে মেয়র হন মনিরুল ইসলাম। এরপর এপ্রিলে ভারতে চিকিৎসা করাতে গিয়ে তিনি মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর মেয়র পদটি শূন্য হওয়ায় এখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন