বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চতুর্থ ধাপে আগামী রোববার শ্যামনগর উপজলায় নয়টি ইউপিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীসহ মোট ৬২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে জাতীয় পার্টি, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা আছেন। উপজেলার বাকি তিন ইউপিতে নির্বাচন হবে আগামী ৫ জানুয়ারি।

আওয়ামী লীগ দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শ্যামনগরে নয়টি ইউপির মধ্যে ছয়টিতে নৌকা প্রতীকের বিরুদ্ধে সাতজন বিদ্রোহী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। প্রথম থেকে তৃতীয় দফা পর্যন্ত সাতক্ষীরায় ৫টি উপজেলার ৫২টি ইউপিতে নির্বাচন হয়। প্রার্থী নির্বাচনে ভুল, বিদ্রোহী প্রার্থী ও দলীয় নেতা-কর্মীরা বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ায় নৌকার ভরাডুবি হয়েছে।

শ্যামনগরের কাশিমাড়ী ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শমসের আলী ঢালী। এখানে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থী হয়েছেন আওয়ামী লীগে যোগদানকারী বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুর রউফ এবং সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক গাজী আনিছুজ্জামান।

গাজী আনিছুজ্জামান বলেন, তিনি চান সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট। ভোটে যেন কোনো ধরনের অস্বচ্ছতা না হয়। এ জন্য তিনি চান তাঁর নির্বাচনী এলাকায় ভোটের দিন সাংবাদিকেরা উপস্থিত থাকুক। ইতিমধ্যে তিনি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।

একই কথা বলেন পদ্মপুকুর ইউপির স্বতন্ত্র প্রার্থী আমজাদুল ইসলাম ও রমজাননগর ইউপির স্বতন্ত্র প্রার্থী আকবর আলী। তাঁরা বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নির্বিঘ্ন করতে প্রতিটি কেন্দ্রে সাংবাদিক থাকলে ভালো হয়। তাঁরা সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। গাবুরা ইউপির স্বতন্ত্র প্রার্থী জি এম মাছুদুল আলম, আঠুলিয়ার আবু সালেহ, কৈখালির আবদুর রহিমও একই কথা বলেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাতক্ষীরায় কর্মরত দুই সাংবাদিক বলেন, একাধিক প্রার্থী তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। রোববার নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্রে সাংবাদিক রাখতে হবে। এ জন্য তাঁরা প্রস্তাব দিয়েছেন যাতায়াত ও খাওয়া খরচ ছাড়াও ‘পারিশ্রমিক’ও দেবেন।

সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা বলেন, কেন্দ্র থেকে দলীয় বিদ্রোহী প্রর্থীদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তারপরও প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচনে তাঁরা দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থীদের দল থেকে অব্যাহতি দিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে ফল ভালো হয়নি। বরং উল্টো হয়েছে। সবকিছু বিবেচনা করে তৃতীয় ধাপ ও চতুর্থ ধাপে কাউকে অব্যাহতি দেওয়া হয়নি।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজার গিফারি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন