বোয়ালজুর ইউনিয়নের পশ্চিম সোনারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. ইয়াছিন মিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্যপদে পরাজিত হন নওশর আলী। পরবর্তী সময়ে গত ১৩ নভেম্বর তাঁকে ডেকে নিয়ে পঞ্চায়েতে বিচার করা হয়। এতে তিনিসহ আরও পাঁচজনকে ভোট না দেওয়ার অভিযোগ এনে জুতাপেটা করা হয় এবং জুতার মালা গলায় পরানো হয়। তিনি বলেন, নির্বাচনে পরাজিত নওশর আলী এলাকায় প্রভাবশালী, এ জন্য তিনি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

নওশর আলী অভিযোগ অস্বীকার করে প্রথম আলোকে বলেন, ‘নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীর সঙ্গে আমার ভোটের ব্যবধান বেশি নয়। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রার্থীকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। এ জন্য আমাকে বেকায়দায় ফেলতে ইয়াছিনকে দিয়ে এমন অভিযোগ করিয়েছেন তিনি।’

নওশর আলী বলেন, ‘শুনেছি, ইয়াছিনকে পঞ্চায়েতে ডেকে নিয়ে নারীঘটিত বিষয় নিয়ে সালিস হয়েছে। সেখানে তাঁকে কোনো ধরনের শাস্তি দেওয়া হয়নি। কেবল তাঁকে সতর্ক করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে অপরাধ না করেন। কিন্তু নির্বাচিত প্রার্থী তজম্মুল আলী সেটির ফায়দা নিয়ে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনছেন।’

বোয়ালজুর ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য তজম্মুল হোসেন বলেন, ‘ভোট না দেওয়ায় ইয়াছিন মিয়াকে জুতাপেটা করার বিষয়টি শুনেছি।’ কাকে ভোট না দেওয়ায় এমনটি করা হয়েছে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নওশর আলীর পক্ষ থেকেই এটি করানো হয়েছে।’