বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাবাজার ঘাট সূত্র জানায়, শুক্রবার ভোর থেকেই লঞ্চ, স্পিডবোটের ঘাটে যাত্রীদের প্রচণ্ড চাপ তৈরি হয়েছে। ফেরিঘাটে রয়েছে ব্যক্তিগত যানবাহনের দীর্ঘ সারি। এ ছাড়া মাঝিরকান্দি ঘাটেও অসংখ্য যানবাহনের চাপ রয়েছে। দুই ঘাট মিলিয়ে নৌপথে ১০টি ফেরি চলছে। যানবাহনের বাড়তি চাপ থাকায় ঘাট এলাকায় ফেরিতে উঠতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ব্যক্তিগত গাড়ি, পিকআপ, অ্যাম্বুলেন্সের পাশাপাশি প্রচুরসংখ্যক মোটরসাইকেল পার হচ্ছে ফেরিতে।

বিআইডব্লিউটিসি বাংলাবাজার ফেরিঘাট সূত্রে জানা গেছে, বাংলাবাজার-শিমুলিয়া রুটে কে টাইপ ফেরি কুমিল্লা, কুঞ্জলতা, ক্যামেলিয়া, বেগম সুফিয়া কামাল, রো রো ফেরি বেগম রোকেয়া, এনায়েতপুরিসহ মোট ৬টি ফেরি ২৪ ঘণ্টা চলছে। এ ছাড়া দুটি ফ্ল্যাট ফেরিসহ চারটি ফেরি শরীয়তপুরের মাঝিরকান্দি ঘাট দিয়ে চলাচল করছে। ফেরি কম থাকায় ঘাট এলাকায় যানবাহনের বেশ চাপ তৈরি হয়েছে। সিরিয়ালে দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত আটকে থাকতে হচ্ছে চালকদের।

ঢাকাগামী ব্যক্তিগত গাড়ির চালক মো. জসিম বলেন, ঘাটে বেশ চাপ। সবাই একসঙ্গে যাচ্ছে। ফেরি কম থাকায় দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকতে হচ্ছে।

এই নৌপথে লঞ্চে যাত্রীদের চাপ সবচেয়ে বেশি রয়েছে। লঞ্চগুলোর ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী পারাপারে বিআইডব্লিউটিএ এবং উপজেলা প্রশাসন ঘাটে অবস্থান করছে। বেশি যাত্রী যাতে একত্রে না উঠতে পারেন, সে জন্য দ্রুত লঞ্চ ঘাট ছেড়ে যাচ্ছে।

অন্যদিকে স্পিডবোটে যাত্রীদের ভিড় রয়েছে। সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে যাত্রীরা স্পিডবোটে উঠছেন। নৌপথে নিবন্ধিত দেড় শতাধিক স্পিডবোট রয়েছে। শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রী নামিয়ে দিয়েই স্পিডবোটগুলো বাংলাবাজার ঘাটে ফিরে আসছে।

ঢাকাগামী যাত্রী মো. তানিম হোসেন বলেন, ‘ঈদের ছুটি শেষ হয়েছে। তাই ফিরে যাচ্ছি ঢাকায়। লোকজনের প্রচুর চাপ রয়েছে যানবাহন ও নৌযানে।’

বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ঈদের ছুটি শেষে ঘাটে যানবাহনের চাপ থাকা স্বাভাবিক। তবে যাত্রীদের যাতে ভোগান্তি না হয়, সেদিক বিবেচনা করে সিরিয়াল মেনে ফেরিতে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। রাত-দিন ফেরি চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন