বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মোবাশ্বির উল্লাহ চৌধুরী জানান, সুন্দরবন গ্যাস বিতরণ কোম্পানি বরাবর এ পর্যন্ত ভোলার ছয় হাজার পরিবার গ্যাসের জন্য আবেদন করেছে। এর মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ সংযোগ পেয়েছে। তিন বছর আগে ১ হাজার ২০০ পরিবার সরকারের ফান্ডে চাহিদামতো টাকা জমা দিয়েও গ্যাস সংযোগ পায়নি। এ ছাড়া ২০০ পরিবারের ঘরের সামনে রাইজার বসালেও গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশমতে রংপুরের বসিরহাটে গ্যাসসংযোগ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু ভোলার সংযোগ দেওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় চাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী চাইছেন ভোলার ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হোক। কিন্তু চক্রান্তকারীদের কারণে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হচ্ছে না। এ কারণে ভোলাবাসী আন্দোলনে নেমেছে।

এ সময় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন করার দাবি জানায় আন্দোলন কমিটি। দাবিগুলো হচ্ছে, ডিমান্ড নোট অনুযায়ী টাকা জমাদানকারী পরিবারকে জরুরি ভিত্তিতে গ্যাস সংযোগ দিতে হবে, গ্যাস সংযোগের জন্য আবেদনকারীদের সংযোগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে এবং সিলিন্ডার গ্যাসের দাম কমাতে হবে। এসব দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করা না হলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ভোলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু তাহের, বাংলাবাজার ফাতেমা খানম ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক অমিতাভ অপু, ভোলা মিউনিসিপ্যাল কো-অপারেটিভের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন