বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার এ এইচ এম আবদুর রকিব এ তথ্য জানান। তিনি জানান, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে লুট হওয়া ১২টি মুঠোফোন, স্বর্ণালংকার (একটি গলার মালা, এক জোড়া কানের দুল, একটি নাকফুল) ও ১৯ হাজার ৫০০ টাকা ও ডাকাতির সময় ব্যবহার করা পাঁচটি দেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁরা পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিতে বলেছেন, তিনটি বাসে মোট ৯৫ হাজার টাকা লুট করা হয়েছে। তবে এক নারীর কাছ থেকে ডাকাতি হওয়া ২ লাখ ১০ হাজার টাকার বিষয়ে তাঁদের কাছে তথ্য পাওয়া যায়নি। সেই টাকায় ওই নারীর ছেলের ভাঙা পায়ের অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা ছিল।

রাতে পুলিশি টহল পর্যাপ্ত না থাকার কারণ জনবল সংকট আছে কি না, এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার বলেন, ‘যেকোনো দেশের জনগণ ও পুলিশের অনুপাতের কথা চিন্তা করলে দেখা যাবে জনবল কম। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি পুলিশি টহল বৃদ্ধি করার। সেই সঙ্গে স্থানীয় জনসাধারণকে যুক্ত করে বিট পুলিশিং কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হবে।’

এদিকে ডাকাতির ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে র‍্যাবের অভিযানেও চারজন গ্রেপ্তার হন। তাঁদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে র‌্যাব।

সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে ভোলাহাট উপজেলার ফলিমারি বিল এলাকার আঞ্চলিক সড়কে ডাকাতদের কবলে পড়ে ঢাকাগামী তিনটি বাস। এ সময় ডাকাতেরা যাত্রীদের দেশি অস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও রড দিয়ে মারধর করে টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটে নেয়। এতে বাসের অন্তত ছয় যাত্রী আহত হন। ওই ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাথী ট্রাভেলসের সুপারভাইজার মো. রফিক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৫ জনকে আসামি করে ভোলাহাট থানায় ডাকাতির মামলা করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন