default-image

রিকশাওয়ালা তাঁর রিকশায় চড়িয়ে ঘুরতে নিয়ে যায় চার শিশুকে। তিন শিশুকে রিকশায় বসিয়ে একজনকে (৭ বছর) নির্জনে বাঁধের আড়ালে নিয়ে যায়। সেখানে রিকশাওয়ালা ওই শিশুকে ধর্ষণ করে। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই শিশুকে তার পরিবারের সদস্যরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এদিকে ঘটনাস্থল থেকে ওই রিকশাওয়ালাকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। রোববার দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

ভোলার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা নিরুপম ও চিকিৎসা কর্মকর্তা আবদুল মজিদ বলেন, শিশুটিকে দুপুরের দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অভিভাবক বলছেন, তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এখন এই শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

শিশুটির চাচা অভিযোগ করে বলেন, রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চারটি শিশু বাড়ির সামনের রাস্তায় খেলাধুলা করছিল। ওই সময় রিকশাচালক মো. সেলিম (২৮) তাদের ঘুরতে নেওয়ার কথা বলে রিকশায় চড়ায়। পরে তাদের তেঁতুলিয়া নদীর দিকে বেড়িবাঁধ এলাকায় নিয়ে যায়। বাঁধের ভেতরে তিন শিশুকে রিকশায় বসিয়ে রেখে সাত বছরের শিশুকে বাঁধের ওপারে নির্জনে নিয়ে ধর্ষণ করে। ওই সময় শিশু চিৎকার করে উঠলে অন্য শিশুরা দৌড়ে যায়। তারা চিৎকার-চেঁচামেচি করলে স্থানীয়রা ছুটে এসে শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ভোলার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে আসে।

বিজ্ঞাপন

চাচা আরও জানান, স্থানীয়রা সেলিমকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন সত্য, কিন্তু সেলিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার সাহস পাচ্ছেন না। শিশুর বাবা একজন রাজমিস্ত্রি গরিব অসহায়।

ভোলা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনায়েত হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ সেলিমকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এখন পর্যন্ত শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন