বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ সকাল সাতটার দিকে দলনেতা এম এ মুহিত, বাংলাদেশ বার্ডস ক্লাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট সায়েম উল চৌধুরী, বার্ডস ক্লাবের সদস্য মো. ফয়সাল, নাজিমউদ্দিন প্রিন্স ও মো. সফিকুর রহমানের সঙ্গে কথা বলে। তাঁরা বলেন, তাঁদের সঙ্গে আরেকটি দল নিঝুম দ্বীপ থেকে উঠবে। দলটি খেয়াঘাট নদী থেকে শুরু করেছে। বাংলাদেশের মধ্যে ভোলায় সবচেয়ে বেশি জলচর পরিযায়ী পাখি আসে, যা মোট পাখির প্রায় ৬০ ভাগ। এ অঞ্চলে অনেক বিপন্ন পাখি দেখা যায়।

কীভাবে পাখি গণনা করা হয় জানতে চাইলে এম এ মুহিত বলেন, ‘আমরা পাখি গণনা করি ব্লক ম্যাথডে (পদ্ধতি)। গণনার কাজে টেলিস্কোপ (দূরবীক্ষণ যন্ত্র) ব্যবহার করি। দূরের পাখি কাছে দেখা যায়। তখন একটা একটা করে গণনা হয়। যখন অনেক ঝাঁক ধরে পাখি থাকে, তখন ধারণা করে গণনা করা হয়। এটা পাখি পর্যবেক্ষকদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা। দলের সবার কাছে দূরবীক্ষণ যন্ত্র থাকে। দলের একাধিকজন ধারণা করেন। সবার মতামত নিয়ে যেটি গ্রহণযোগ্য, সেটি সঠিক বলে মেনে নেওয়া হয়। তারপরও ঝাঁক গণনার ক্ষেত্রে শতভাগ সঠিক হয় না। উনিশ-বিশ হয়।’

পাখি গণনার উদ্দেশ্য কী জানতে চাইলে বাংলাদেশ বার্ডস ক্লাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট পাখি বিশেষজ্ঞ সায়েম উল চৌধুরী বলেন, ‘পাখি পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিযায়ী পাখি যারা শীতের দেশ থেকে এই দেশে আসে, তাদের সংখ্যা দিয়ে আমরা জানতে পারি, পৃথিবীতে এদের সংখ্যা কত। উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ কেমন, পাখির বিচরণ একটি বড় মাপযন্ত্র। বাংলাদেশে যদি পাখি কমে যায়, তাহলে মনে করতে হবে এখানে সমস্যা আছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন