বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল সন্ধ্যায় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল সন্ধ্যায় হঠাৎ মামুনুর রশিদের নির্বাচনী কার্যালয় ও দোকানে ভাঙচুর চালান। এ ঘটনার পর থেকে স্থানীয় ভোটাররা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুনুর রশিদের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মামুনুর রশিদ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর থেকে বসির আহম্মেদ ও তাঁর কর্মী–সমর্থকেরা নানাভাবে তাঁকে হুমকি দিয়ে আসছেন। তাঁদের গণসংযোগে বাধা দিচ্ছেন। প্রতীক বরাদ্দের দিন গতকাল সন্ধ্যায় নৌকার কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে এসে মাদ্রাসাবাজারে আসেন। এরপর তাঁরা মামুনুর রশিদের ওষুধের দোকান থেকে তাঁর ছেলে মো. আছেম বিল্লাহকে মারধরের পর বের করে দেন। এ সময় আছেম বিল্লাহকে কিলঘুষি ও লাথি দিয়ে লাঞ্ছিত করা হয়।

হামলার সময় দোকান থেকে ২০ হাজার টাকা, একটি ফ্যানসহ দোকানের দামি মালামাল লুট করে নিয়ে তালা মেরে দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এরপর হামলাকারীরা তাঁর নির্বাচনী কার্যালয় দখল করে সেখানে নৌকার প্রার্থীর পোস্টার সেঁটে দেন।

অভিযোগের বিষয়ে নৌকার প্রার্থী বসির আহম্মেদ বলেন, মামুনুর রশিদ ভাড়া নিয়ে ওই দোকান চালান। ওই দোকানঘরের মালিক নুরনবী নামের এক লোক সেখানে তালা মেরে দিয়েছেন। তিনি ইউপি সদস্যপদে নির্বাচন করছেন। নুরনবী সেখানে নির্বাচনী কার্যালয় করবেন বলে তাঁর ঘরটি ছেড়ে দিতে বলেছিলেন। কিন্তু মামুনুর রশিদ ঘর ছাড়েননি। তাই তালা মেরে দিয়েছেন। আর মামুনুর রশিদ যেই ঘরে নির্বাচনী কার্যালয় করেছেন, সেটিও ওই ঘরের মালিক দখল নিয়েছেন। এখানে তাঁর কোনো হাত নেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুনুর রশিদ দাবি করেন, চুক্তিপত্রে লেখা আছে, দোকানঘর ছাড়তে হলে দোকানঘরের মালিকপক্ষ তাঁকে বিষয়টি লিখিত বা মৌখিকভাবে তিন মাস আগে জানাবে। কিন্তু মালিকপক্ষ কোনো রকম নোটিশ দেয়নি। যাঁরা হামলা করেছেন, তাঁরা নৌকার প্রার্থীর লোক। নির্বাচনী প্রচারণা চালালে বাড়িতে হামলা করে এলাকা ছাড়া করারও হুমকি দেওয়া হয়েছে তাঁদের।

ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনায়েত হোসেন বলেন, গতকাল রাতে স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুনুর রশিদের পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পেলে মামলা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন