বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি (সদ্য সাবেক) মো. মুনতাসির আলম রবিন চৌধুরী। তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, ‘সম্প্রতি জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্র থেকে ভোলা সদর উপজেলা ও ভোলা পৌরসভার ৩১ সদস্যবিশিষ্ট দুটি আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে যোগ্য, ত্যাগী ও রাজপথে আন্দোলনকারীদের বঞ্চিত করা হয়েছে। মূলত বিভাগীয় এক নেতার কথায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে পদদলিত করে একটি নিষ্প্রাণ কমিটি ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আমরা জেলা কমিটি, সদ্য ঘোষিত সদর উপজেলা ও পৌর কমিটির মোট ৫৬ জন নেতা একযোগে এ পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

নিয়ম অনুযায়ী তৃণমূলের কোনো কমিটি ঘোষণা করতে হলে জেলা কমিটির মতামত নিতে হয়। কিন্তু সদ্য ঘোষিত কমিটি গঠনে জেলা কমিটির মতামত নেওয়া হয়নি।

মুনতাসির আলম আরও বলেন, ‘সদ্য ঘোষিত কমিটি বাতিল করে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে, জেলার আন্দোলন-সংগ্রামে ত্যাগী, নির্যাতিত ও আন্দোলন–সংগ্রামে যাঁরা ভূমিকা রাখতে পারেন, তাঁদের নিয়ে একটি শক্তিশালী গ্রহণযোগ্য কমিটি নির্বাচনের আহ্বান জানাচ্ছি।’

জেলার অপর সহসভাপতি এ বি এস সালাম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী তৃণমূলের কোনো কমিটি ঘোষণা করতে হলে জেলা কমিটির মতামত নিতে হয়। কিন্তু সদ্য ঘোষিত কমিটি গঠনে জেলা কমিটির মতামত নেওয়া হয়নি। এমনকি কমিটিতে এমন অনেকে আছেন, যাঁরা নিজেরাই পদ চাননি এবং কেন্দ্রে বায়োডাটা পাঠাননি। তাঁদের নিয়ে কমিটি গঠিত হয়েছে। এতেই বোঝা যায়, এটি একটি মনগড়া কমিটি। এ ছাড়া কমিটির অনুমোদনে দলের সভাপতি-সম্পাদকের স্বাক্ষর থাকার নিয়ম থাকলেও এ কমিটি অনুমোদনে স্বাক্ষর দিয়েছেন কমিটির সহদপ্তর সম্পাদক।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি মো. জাকির হোসেন, মো. হাফিজুর রহমান, লুকু চৌধুরী, মীর মোস্তাফিজুর রহমান, আল আমিন মিঝি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন