বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার অভিযোগে বলা হয়, জেলার রাঙ্গুনিয়া থানার খিলমোগল খামারিপাড়া হোসনাবাদ এলাকার কাজী সফিউল আলমের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় উত্তর পদুয়া পশ্চিম খুরুশিয়ার সাজু আক্তারের। বিয়ের পর অন্তঃসত্ত্বা হলে জ্বর, সর্দির ওষুধের কথা বলে সাজুকে গর্ভপাত করানো হয়। শ্বশুরবাড়ির লোকজন আবার সন্তান না নেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন। তাঁদের অত্যাচারে গত বছরের জুলাইয়ে সাজু নগরের বহদ্দারহাটে তাঁর বোনের বাসায় চলে আসেন। এ বছরের আগস্টে স্বামী সফিউলও সেই বাসায় এসে ওঠেন। একপর্যায়ে সাজু সন্তানসম্ভবা হলে স্বামী গর্ভপাতের জন্য চাপ দিতে থাকেন। কিন্তু সাজু রাজি না হওয়ায় স্বামী তাঁকে তালাকের হুমকি দিয়ে বাসা থেকে চলে যান।

সাজু আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, অনাগত সন্তানকে বাঁচানোর জন্য আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্কের কারণে স্বামী এসব করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন