বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পদ্মা সেতু রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক জামাল মাতবর প্রথম আলোকে বলেন, এক মাস ধরে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে ফেরি চলছে না। রাষ্ট্রের টাকা খরচ করে এই বিকল্প ফেরিঘাট প্রস্তুত করা হয়েছে। সেটিও চালু করা হচ্ছে না। ফলে শরীয়তপুরসহ দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে আছে। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় নেওয়া যাচ্ছে না। সন্ধ্যার পর লঞ্চ চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়। তখন কেউ জরুরি প্রয়োজন হলেও পদ্মা নদী পারাপার হতে পারে না। মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে দ্রুত সময়ের মধ্যে সাত্তার মাতবর, মঙ্গল মাঝির ফেরিঘাট চালুর দাবি জানান তিনি।

বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুরের বাংলাবাজার ও মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া নৌপথে ১৮ আগস্ট থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। স্রোতের তীব্রতা না কমা পর্যন্ত এই নৌপথে ফেরি ছাড়া হবে না। এ অবস্থায় জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার মঙ্গল মাঝির ঘাট এলাকায় গত ২৫ আগস্ট নতুন একটি ফেরিঘাট নির্মাণ করা হয়। এই ঘাট নির্মাণ করতে ৪০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে বিআইডব্লিউটিএর প্রকৌশল বিভাগের।

নতুন এই ঘাট হয়ে ছোট ব্যক্তিগত গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স, সরকারি দপ্তরের জরুরি গাড়ি পারাপার করার কথা। ঘাটের জন্য একটি রো রো ফেরির পন্টুন আনা হয়েছে। এ ঘাটে তিন থেকে চারটি কে টাইপ ফেরি চলাচল করার কথা ছিল। তবে নাব্যসংকটের কারণে আপাতত এই ঘাট থেকে শিমুলিয়া ঘাটে ফেরি চালানো যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।

বিআইডব্লিউটিসির বাণিজ্য বিভাগের পরিচালক আশিকুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, পদ্মা সেতুর চ্যানেল ব্যবহার করে জাজিরা-শিমুলিয়া ফেরি চালানোর কথা ছিল। কিন্তু সেখানে ৩৭ নম্বর পিয়ার থেকে ৪২ নম্বর পিয়ার পর্যন্ত নাব্যসংকট রয়েছে। এখন পলি জমে নদীর বিভিন্ন স্থানে ডুবচর সৃষ্টি হয়েছে। তাই আপাতত ওই নৌপথে ফেরি চালানো সম্ভব নয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন