বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইউএনও গাজী শরিফুল হাসান বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে কে বা কারা তাঁর সরকারি মুঠোফোন নম্বরটি ক্লোন করে। এরপর ওই নম্বর থেকে তাঁর (ইউএনও) নাম-পরিচয় দিয়ে উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের কাছে বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দ এনে দেওয়ার কথা বলে প্রত্যেকের কাছে ১০ হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করে প্রতারক চক্র। উপজেলার মোহনপুর ইউপির চেয়ারম্যান শামসুল হক চৌধুরী বাবুল বিষয়টি প্রথমে তাঁকে মুঠোফোনে জানান। এরপর ওই প্রতারক চক্র আরও ১৩ ইউপির চেয়ারম্যানের কাছে তাঁর (ইউএনও) পরিচয় দিয়ে চাঁদা চান। মুঠোফোন নম্বর ক্লোনের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে তিনি মঙ্গলবার রাতে এ ব্যাপারে মতলব উত্তর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

উপজেলার এখলাশপুর ইউপির চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেন মুরাদ বলেন, মঙ্গলবার রাতে ইউএনওর সরকারি মুঠোফোন নম্বর থেকে তাঁর (ইউএনও) পরিচয় দিয়ে একজন লোক তাঁর (মোসাদ্দেক) কাছে একটি সরকারি কাজের বরাদ্দ এনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১০ হাজার টাকার চাঁদা চায়। সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি বিষয়টি ইউএনওকে জানালে তিনি (ইউএনও) তাঁর নম্বরটি ক্লোন হয়ে গেছে বলে জানান।

মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল বলেন, ইউএনওর মুঠোফোন নম্বর ক্লোন হয়ে যাওয়ার বিষয়ে তিনি অভিযোগ পেয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন