বিজ্ঞাপন

সন্ধ্যায় আশপাশের প্রতিবেশীরা বাড়িতে গিয়ে দেখেন, শামসুন্নাহারের ঘরের দরজা বন্ধ। ভেতরে কোনো সাড়া-শব্দ নেই। দরজা ধাক্কা দিয়ে ভেতরে ঢুকে তাঁরা দেখতে পান যে শামসুন্নাহারের গলাকাটা লাশ পড়ে আছে। পাশে ছোপ ছোপ রক্ত। খবর পেয়ে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। রাত নয়টায় অভিযান চালিয়ে ফয়সালকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত নারীর ভাই হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে ফয়সাল আহমেদকে আসামি করে রাতেই থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় ফয়সালকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এই ঘটনায় চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী আবদুর রহিম ও জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (মতলব সার্কেল) মো. আহসান হাবিব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্বপন কুমার আইচ বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য ওই নারীর লাশ চাঁদপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার ফয়সালকে চাঁদপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন