বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ সকাল সাড়ে নয়টায় মঞ্চের পাশ দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জেলা শহরে যাওয়ার সময় সাংসদ রুহুলের অনুগত নেতা-কর্মীরা তাঁকে অভিনন্দন জানান। পরে সেখান থেকে জেলা শহরের উদ্দেশে রওনা দেন সাংসদ রুহুল। সকাল পৌনে ১০টায় সেখানে মায়া ও সাংসদ রুহুলের লোকেরা মিছিল বের করেন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা লাঠিসোঁটা এবং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে অন্তত ৩০টি ব্যক্তিগত গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। ভাঙা হয় মঞ্চ। আহত হয়েছেন ১০ জন।

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর এলাকার শরিফ মিয়া, আজমত উল্লাহ ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার বাইশপুর এলাকার মো. নাঈমকে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বাকিরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে তাঁদের পরিচয় জানা যায়নি।

খবর পেয়ে চাঁদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মতলব সার্কেল) ইয়াসির আরাফাত ও মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মিয়া পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। উভয় পক্ষের কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে তাঁরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

সাংসদ মো. নুরুল আমিন রুহুলের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) লিয়াকত আলী ও সাংসদের অনুগত মতলব উত্তর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক মহসিন মিয়া মানিক অভিযোগ করেন, এলাকায় ত্রাস ছড়ানো এবং রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যেই মায়ার লোকেরা তাঁদের ওপর পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছেন। এতে তাঁদের পক্ষের ১০ কর্মী আহত হয়েছেন। তাঁদের লোকজনের ৩০টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এ বিষয়ে জানার জন্য সাবেক মন্ত্রী ও চাঁদপুর-২ আসনের সাবেক সাংসদ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে তাঁর অনুগত হিসেবে পরিচিত ছাত্রলীগ নেতা সেলিম রেজাসহ বেশ কয়েকজন কর্মী দাবি করেন, তাঁদের ওপর সাংসদ রুহুলের লোকেরা এ হামলা চালিয়েছেন। ঘটনাটির জন্য তাঁরা দায়ী নন।

মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মিয়া বলেন, ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত ও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই মামলা করেনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন