বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নান্দু মীর বালালী গ্রামের মৃত শামছু মীরের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন। তাঁদের দাম্পত্যজীবনে সাত বছরের এক ছেলে ও পাঁচ বছরের এক মেয়ে রয়েছে।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নান্দু মীরের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী হিমা আক্তারের দাম্পত্যকলহ চলছিল। গতকাল রাত ১০টায় তাঁরা খাবার খেয়ে সন্তানদের নিয়ে ঘুমাতে যান। আজ সকাল ছয়টায় স্থানীয় এক ব্যক্তি নান্দু মীরের বাড়িতে এসে তাঁকে ডাকতে শুরু করেন। কিন্তু সাড়াশব্দ না পেয়ে তিনি ঘরের দরজায় ধাক্কা দেন। পরে ছেলেটি জেগে ওঠে মায়ের রক্তাক্ত লাশ ঘরের মেঝে ও বাবার লাশ আড়ার সঙ্গে ঝুলতে দেখে চিৎকার শুরু করে। পরে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দিলে মদন থানা–পুলিশ ও ময়মনসিংহ সিআইডি ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে লাশ দুটি উদ্ধার করেন।

আজ বেলা সোয়া ১১টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নেত্রকোনা পুলিশ সুপার মো. আকবর আলী মুন্সী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) এ কে এম মনিরুল ইসলাম, মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আলমসহ পুলিশের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

পুলিশ সুপার মো. আকবর আলী মুন্সী প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দাম্পত্যকলহের জেরে স্বামী নান্দু মীর তাঁর স্ত্রীকে হত্যা করে তিনি নিজে আত্মহত্যা করেছেন। এ ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ও থাকতে পারে। আমরা সব বিষয় মাথায় নিয়ে কাজ করছি। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন