বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ছানোয়ার হোসেনের কফিবাগানে সম্প্রতি গিয়ে দেখা যায়, বসতবাড়ির পূর্ব পাশে কফিবাগান। প্রতিটি গাছে থরে থরে ধরে আছে কফি ফল। কোনটা পেকে লাল টুকটুকে হয়েছে, আবার কোনটা সবুজ। ছানোয়ার বলেন, ফল পাকার পর গাছ থেকে সংগ্রহ করে প্রথমে শুকাতে হয়। পরে এর খোসা ছাড়িয়ে মেশিনে পিষে গুঁড়া করতে হয়। ফল থেকে কফি প্রক্রিয়াকরণের মেশিনও কিনে নিয়েছেন তিনি। সেখানেই কথা হয়, মধুপুরের আবদুল করিম ফকিরের সঙ্গে। তিনি জানান, তাঁর কফি চাষে আগ্রহ রয়েছে। তাই ছানোয়ারের বাগান দেখতে এসেছেন তিনি।

এই এলাকায় ছানোয়ার প্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কফি চাষ করেছেন। তিনি সফলও হয়েছেন। তাঁর কফিবাগান পরিদর্শন করেছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক। পরে কৃষি মন্ত্রণালয় মধুপুর ও পার্শ্ববর্তী ধনবাড়ী উপজেলায় কফিসহ কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণের একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। গত সেপ্টেম্বরে এ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের কফির চারা বিতরণ করা হচ্ছে।

টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আহসানুল বাসার বলেন, প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের কফি চাষে উদ্বুদ্ধ করতে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। বাগান করার জন্য কফির চারাও বিতরণ করা হচ্ছে।

ছানোয়ার মহিষমারা গ্রামের জামাল হোসেনের ছেলে। ১৯৯২ সালে ছানোয়ার স্নাতক ডিগ্রি লাভের পর সিলেটের একটি স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন। পাঁচ বছর শিক্ষকতা করার পর নিজ গ্রামে ফিরে আসেন। প্রথমে এলাকার প্রচলিত আনারস চাষ করতেন। পরে বরই, মাল্টা, ড্রাগনসহ বিভিন্ন ফল চাষ করে সফল হন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন