বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রথীন্দ্রনাথ রায় জানান, পুলিশ সদস্য রেজওয়ান স্ত্রী, ছেলে, আত্মীয়সহ ছয়-সাতজন মিলে ট্রলার ভাড়া করে মধুমতী নদীতে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। নদীতে প্রবল স্রোত থাকার কারণে ট্রলারটি নির্মাণাধীন সেতুর পিলারের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে মাঝি বাদে ট্রলারের সবাই নদীতে পড়ে যান। পরে ট্রলারের মাঝি নদীতে পড়ে যাওয়া কয়েকজনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও ওই পুলিশ সদস্য ও তাঁর শিশুসন্তান নিখোঁজ হয়। তাঁদের উদ্ধারের জন্য গোপালগঞ্জ ও নড়াইল ফায়ার সার্ভিসের একটি দল কাজ করছে। এ ছাড়া বরিশাল নৌবাহিনীর একটি ডুবুরি দল শুক্রবার গভীর রাত পর্যন্ত উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান পায়নি। আজ শনিবার সকাল থেকে গোপালগঞ্জের ফায়ার সার্ভিস উদ্ধারকাজ শুরু করেছে।

কাশিয়ানী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আতিকুল ইসলাম, কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুর রহমান এবং নড়াইলের লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান ঘটনাস্থলে থেকে উদ্ধার প্রক্রিয়া তদারকি করছেন।

গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন অফিসার স ম আরিফুল হক বলেন, নদীতে তীব্র স্রোত। নড়াইল ও গোপালগঞ্জের ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে। শনিবার বিকেল চারটা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন