বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মতিউর রহমান গোতাশিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। তৃণমূল থেকে কেন্দ্রে পাঠানো তালিকায় প্রথমেই ছিল তাঁর নাম। ওই তালিকায় নাম থাকা অন্য দুজন হলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল বরকত ও সিনিয়র সহসভাপতি আলতাফ হোসেন। পরে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সভায় মতিউর রহমানকে নৌকার প্রার্থী করা হয়।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নাজমুল আনোয়ার জানান, মতিউর রহমান একজন করদাতা হয়েও তিনি তাঁর মনোনয়নপত্রে সেটি উল্লেখ করেননি, এটা নির্বাচনবিধি বহির্ভূত। তাই স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচন বিধিমালা অনুসারে তাঁর মনোনয়ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বাতিল ঘোষণা করে।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. আবুল বরকত জানান, তিনি আওয়ামী লীগের একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু দল তাঁকে মনোনয়ন না দিয়ে মতিউর রহমানের ওপর আস্থা রেখেছিল। কিন্তু মতিউর আয়কর সনদ জমা না দিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। নৌকা প্রতীক পেয়েও নির্বাচনের মাঠে থাকতে না পারার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মতিউর রহমান বলেন, ‘একটি ভুলের কারণে নির্বাচন কমিশন আমার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে। প্রকৃতপক্ষে এই ভুলের কারণে মনোনয়ন বাতিল হতে পারে না, এটা সংশোধনযোগ্য। কিন্তু আপিল বোর্ড আমাকে কোনো সুযোগ দেয়নি। এ ব্যাপারে আমি আইনি পদক্ষেপ নেব।’

মতিউর রহমানের মনোনয়ন বাতিলের পর বর্তমানে নির্বাচনের মাঠে আছেন মাত্র দুজন প্রার্থী। তাঁরা হলেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. আবুল বরকত ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. শাহাবুদ্দীন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন