বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সোমবার রাতে উপজেলার ফজুমিয়ারহাট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী পথসভা চলাকালে আশরাফ উদ্দিন টাকা ফেরত চেয়েছেন। তাঁর এমন বক্তব্যের একটি ভিডিও রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

নুরুল আমিনই তাঁকে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী করে মাঠে নামিয়েছেন বলে আশরাফ উদ্দিন জোরালো বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নেতারা তিন-চারজনের কাছ থেকে নৌকা দেওয়ার কথা বলে টাকা নেন।

আশরাফ উদ্দিন উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও লক্ষ্মীপুর জেলা কৃষক লীগের সহসভাপতি।

আশরাফ উদ্দিন পথসভায় বলেন, ‘যে আওয়ামী লীগ নেতারা মনোনয়ন দেবেন বলে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন, কিন্তু নৌকা দেন নাই। টাকাও ফেরত দিচ্ছেন না। আমি সেই টাকা ফেরত চাই। নুরুল আমিনের কাছে টাকা ফেরত চাইলে তিনি আমাকে বিদ্রোহী প্রার্থী করে ভোটের মাঠে নামান। পাঁচ লাখ টাকা দেওয়ার আশ্বাসও দেন। কিন্তু আমি টাকা চাই না। দলীয় মনোনয়ন দেবেন বলে যে টাকা নিয়েছেন, “আপনি আমার সেই টাকা আগে ফেরত দিন।” টাকা চাওয়ায় তিনি আমাকে চাঁদাবাজি মামলার হুমকি দিচ্ছেন। দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার কথা বলে আরও কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতার কাছ থেকেও টাকা নেওয়া হয়েছে।’

পথসভায় দেওয়া বক্তব্য সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করা হয় আশরাফ উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নৌকার মনোনয়নে সহযোগিতা করার জন্য পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন। পাটোয়ারির হাট ইউনিয়ন পরিষদে তাঁকে দুই লাখ টাকা দিয়েছি। বাকি তিন লাখ টাকা ঢাকায় দেওয়ার কথা হয়। এ সময় দলের কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন আমার সঙ্গে। কিন্তু তিনি টাকা নিলেও আমার মনোনয়নের জন্য কোনো সহযোগিতা করেননি। প্রতিপক্ষের কাছ থেকে ৪০–৫০ লাখ টাকা নিয়েছেন বলে শুনেছি।’

এ কে এম নুরুল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘টাকা নেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। আমি একসময় দল থেকে উপজেলা নির্বাচন করি। ওই সময় আশরাফ উদ্দিন বিদ্রোহী প্রার্থী হন। ওই সময় তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এর পর থেকে তাঁর সঙ্গে আমার সম্পর্ক নেই।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন