বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আকরামুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের চেয়ারম্যান ও সদস্যপদে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কাজ চলছিল। ওই সময় আওয়ামী লীগের অনেক প্রার্থীও মনোনয়নপত্র দাখিল করতে আসেন। এ জন্য তিনি উপজেলা পরিষদের সামনে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত তুজারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসলাম খান তাঁর ৮-১০ জন সহযোগীকে নিয়ে তাঁর ওপর হামলা করেন। হামলাকারীরা তাঁকে কিল-ঘুষি মারেন ও লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। পরে এলাকাবাসী তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আকরামুজ্জামানের ওপর হামলা করেছেন তুজারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসলাম খান।

অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে তুজারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসলাম খান বলেন, ‘আমি যখন উপজেলা পরিষদে আসি, তখন আমার সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কয়েকজন নেতা ছিলেন। উপজেলা ফটকের সামনে আকরামুজ্জামানের সঙ্গে দেখা হলে তিনি আমাকে উপজেলা পরিষদে ঢুকতে বাধা দেন ও গালিগালাজ করেন। ওই সময় হঠাৎ হট্টগোল লেগে যায়। তারপর কোথা দিয়ে কী হয়ে গেছে, তা আমার জানা নেই।’

ভাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিকাশ মণ্ডল বলেন, উপজেলা চত্বরে আওয়ামী লীগ নেতার ওপর হামলার খবর শুনে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে পুলিশ গিয়ে হামলাকারী কাউকে পায়নি। তিনি বলেন, তবে আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই আওয়ামী লীগ নেতা থানায় কোনো অভিযোগ দেননি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তুজারপুর ইউপি নির্বাচনে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসলাম খান ও আওয়ামী লীগের সমর্থক হাবিবুর রহমান তৃণমূল পর্যায়ে প্রার্থী ছিলেন। হাবিবুর রহমান দলীয় মনোনয়ন পান। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হন আসলাম খান। তৃতীয় ধাপে ২৮ নভেম্বর ওই ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে। কাল মঙ্গলবার এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন