বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিযোগ অস্বীকার করে মামলার বাদী ইমাম হোসেন বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া আবদুর রহমান মীরের দেওয়া জবানবন্দি অনুযায়ী, ঘটনায় জড়িতদের আসামি করা হয়েছে। হয়রানির অভিযোগ সত্য নয়।

আইনজীবী কাজী মো. বেলাল হোসেন জানান, আসামি রফিকুল ইসলাম ওরফে কাজল বিস্ফোরক ও মন্দির ভাঙচুরের ঘটনায় করা দুই মামলায় বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিস্ফোরক মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ ডিসেম্বর রাতে যুবলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী গৌরনদী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুজ্জামানের মালিকানাধীন বিনোদনকেন্দ্র ফারিয়া গার্ডেনের পাশে পরিত্যক্ত একটি ঘরে বোমা বানাতে যান। রাতে বোমা বিস্ফোরিত হয়ে আহত হন বোমা তৈরির কারিগর হারুন হাওলাদার (৫০)। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। বিস্ফোরণে ছয়-সাতজন আহত হন। ওই ঘটনায় গৌরনদী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইমাম হোসেন বাদী হয়ে হারুন হাওলাদারকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা ১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

অন্যদিকে মন্দিরে হামলার ঘটনায় করা মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে গৌরনদীর বার্থী ইউনিয়নের ধুরয়াইল কাজিরপাড় গ্রামের বাড়ৈ বাড়িতে পূজার আয়োজন করা হয়। সন্ধ্যা সাতটার দিকে ৬০ থেকে ৭০ জন সন্ত্রাসী লাঠিসোঁটা ও দেশি অস্ত্র নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে হামলা চালিয়ে মূর্তি ভাঙচুর ও আসবাবপত্র তছনছ করে। ওই ঘটনায় ধুরয়াইল সর্বজনীন হরিচাঁদ পূজামণ্ডপ কমিটির সহসভাপতি সুভাষ বৈদ্য বাদী হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা ৬০–৭০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলায় বিএনপি নেতা এইচ এম রফিকুল ইসলাম ওরফে কাজল ও এইচ এম রফিকুল ইসলাম ওরফে শাহীনকে আসামি করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন