বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত খোরশেদ আলম নলকা ইউনিয়নের চক মনোহরপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত কছিম উদ্দিনের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ মসজিদ কমিটির সভাপতি ইউসুফ আলী (৫৪) ও একই গ্রামের ওমর ফারুককে (২০) গ্রেপ্তার করেছে। আজ দুপুরে নিহত ব্যক্তির স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা করলে পুলিশ ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গতকাল জুমার নামাজ শেষে মসজিদের ইমামের বেতনের জন্য টাকা তোলা নিয়ে ইউসুফ আলীর পক্ষের লোকজনের সঙ্গে খোরশেদ আলম বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে মসজিদের বাইরে এসে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় প্রতিপক্ষের কিলঘুষির আঘাতে খোরশেদ আলম গুরুতর আহত হন।

পরে পরিবারের সদস্যরা খোরশেদকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যার বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। আজ সকালে তাঁর অবস্থার অবনতি হওয়ায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কাদের জিলানী দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির স্ত্রী মঞ্জুয়ারা খাতুন বাদী হয়ে ১১ জনকে আসামি করে সলঙ্গা থানায় হত্যা মামলা করেছেন। নিহত ব্যক্তির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যার বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানান তিনি। তবে মামলার অন্য আসামিদের পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন