বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০২০ সালের মার্চে এলজিইডি লাঙ্গলবন্দ প্রকল্প সংশোধনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠায়। এলজিইডির প্রকল্প চলমান থাকার পরেও সড়ক বিভাগ ও গণপূর্ত একই এলাকার উন্নয়নে প্রকল্প নেওয়ায় কার্যক্রমে সমন্বয়ের লক্ষ্যে একটি আন্তমন্ত্রণালয় কমিটি করা হয়। ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর আন্তমন্ত্রণালয় সভায় সিদ্ধান্ত হয়, লাঙ্গলবন্দ স্নান উৎসব এলাকার একটি মহাপরিকল্পনা করবে এলজিইডি। এটি প্রণয়নের আগপর্যন্ত যেসব নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল, সেগুলো বন্ধ থাকবে।

এলজিইডির লাঙ্গলবন্দ পুণ্যস্নান উৎসবের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক গৌতম প্রসাদ চৌধুরী। তিনি বর্তমানে প্রেষণে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্বরত। নতুন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ হয়নি। গৌতম প্রসাদ প্রথম আলোকে বলেন, লাঙ্গলবন্দ এলাকার মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করে স্থানীয় সরকার বিভাগে জমা দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে পরবর্তী কার্যক্রমের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

এলজিইডির প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে যে ঘাটগুলো রয়েছে, সেগুলোর একটির সঙ্গে আরেকটির সংযোগ নেই। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভারতের বেনারসের মতো করে নিরবচ্ছিন্নভাবে ঘাট নির্মাণ করা হবে। অবকাঠামো নির্মাণে সরকারি অর্থ খরচ হয়ে গেছে, তাই নির্মিত অবকাঠামোগুলো রেখেই মহাপরিকল্পনা প্রস্তুত করা হয়েছে।

মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত না হওয়ায় লাঙ্গলবন্দ এলাকায় এলজিইডির প্রকল্পের কাজ অর্ধসমাপ্ত অবস্থায় পরে আছে। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব আবু মো. মহিউদ্দিন কাদেরী প্রথম আলোকে বলেন, লাঙ্গলবন্দ এলাকার উন্নয়নকাজের সঙ্গে বেশ কটি সংস্থা জড়িত। সবার সঙ্গে বসে বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন