বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বেহাল সড়কে মাঝেমধ্যেই যানবাহন উল্টে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে। ২৩ নভেম্বর দৌলতদিয়া ক্যানাল ঘাট এলাকায় সবজিবাহী ট্রাক উল্টে দোকান ঘেঁষে পড়ে যাওয়ায় কয়েকটি সিমেন্টের খুঁটি ভেঙে যায়। এর কয়েক শ গজ দূরে তেলের পাম্পের সামনে পরদিন ২৪ নভেম্বর ভোরে কলাবোঝাই ট্রাক উল্টে পড়ে। এতে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে যানজটের সৃষ্টি হয়।

কুষ্টিয়া কাউন্টারের সামনে মাহেন্দ্রচালক আবদুর রহমান ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, এখানে মাঝেমধ্যে কিছু ইটের আধলা ফেলে মেরামত করা হয়। কয়েক দিনের মধ্যে আগের অবস্থায় ফিরে যায়। বড় গাড়ি ছাড়া মাঝেমধ্যে মাহেন্দ্র, অটোরিকশা, এমনকি মোটরসাইকেলও দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

এ প্রতিবেদকের সামনেই একটি মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গর্তে পড়ে যান। মোটরসাইকেলের চালক ইমরান সরদার বলেন, ‘পাশের অটোরিকশাকে সাইড দিতে গিয়ে পড়ে যাই। দ্রুত ব্রেক করায় হাত-পা ভাঙেনি।’

গ্রিনলাইন পরিবহনের ঘাট তত্ত্বাবধায়ক মো. নুরুজ্জামান বলেন, মাঝেমধ্যে সড়ক বিভাগ থেকে কিছু ইটের আধলা, পিচ, পাথর ঢেলে কোনোরকম ঘষা দিয়ে চলে যায়। দুদিন পর আবার আগের মতো হয়ে যায়। ভালোভাবে রাস্তার কার্পেটিংয়ের কাজ না করলে সড়ক ভালো হবে না।

বাংলাদেশ ট্রাক চালক শ্রমিক ফেডারেশন দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সম্পাদক মজিবর রহমান বলেন, ‘খানাখন্দে গাড়ির চাকা পড়ে অনেক মূল্যবান যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে। সড়ক মেরামতের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি। কাজ হচ্ছে না।’

রাজবাড়ী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহরিয়ার শরীফ খান বলেন, সড়কে দীর্ঘক্ষণ পণ্যবাহী গাড়ি অবস্থান করায় মবিল (ইঞ্জিন অয়েল) চুইয়ে পড়ে। মাছের গাড়ি থেকে পানি পড়ে। এতে সড়ক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন