রেঞ্জ পুলিশ কার্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, ৩ জুলাই ওই ১৪ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করে বিভাগীয় মামলা দেওয়া হলেও বিষয়টি আজ জানাজানি হয়।

বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন গৌরনদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গাফফার হোসেন, ছগির হোসেন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সোহরাব হোসেন, কনস্টেবল ইকবাল হোসেন , কামাল হোসেন, গাড়িচালক কনস্টেবল আবদুল হক রানা, মুরছালিন, নয়ন মিয়া, অমৃত লাল ও মেহেদী হাসান; উজিরপুর থানার উপপরিদর্শক মো. জিয়াউল হায়দার, কনস্টেবল রবিউল ইসলাম, সোহেল রানা ও ইমরান হোসেন।

ডিআইজি এস এম আকতারুজ্জামান বলেন, গত ২ জুন ভোররাতে বিভাগীয় সদর দপ্তরের গ্যারেজ থেকে একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, অজ্ঞাতনামা এক চোর খালি পায়ে মোটরসাইকেলটি চালিয়ে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক হয়ে উজিরপুর, গৌরনদী ও ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানা এলাকা অতিক্রম করে। ওই এলাকায় যাঁদের রাত্রিকালীন দায়িত্ব পালন করার কথা তাঁরা ডিউটি পালন না করায় নির্বিঘ্নে চোর মোটারসাইকেলটি নিয়ে ওই স্থান অতিক্রম করতে সক্ষম হয়। এখানে যাঁদের দায়িত্ব পালন করার কথা ছিল, তাঁদের গাফিলতির কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে। এ কারণে তাঁদের সাময়িক বরখাস্ত ও বিভাগীয় মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডিআইজি বলেন, এখন থেকে প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর কত গাড়ি মহাসড়কে চলাচল করছে, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রতিটি গাড়ি তল্লাশি করা হচ্ছে।

গৌরনদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আফজাল হোসেন বলেন, যেসব পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তাঁদের জেলা পুলিশ লাইনসে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন