বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গ্রেপ্তার জোসিদা খাতুন কোহিনুর বহুমুখী নারী উন্নয়ন সংস্থা নামে একটি সংগঠনের সভাপতি এবং সক্রিয় আওয়ামী লীগ কর্মী বলে জানা গেছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, উৎপল কর, জোসিদা খাতুন কোহিনুর ও সঞ্জীব ইসলাম নামে তিন ব্যক্তি নিজ নিজ ফেসবুক আইডি থেকে জেলা আওয়ামী লীগ নেত্রী স্বপ্না খন্দকার ও তাঁর বোন লুৎফুন্নাহার লাকীর ছবি সম্পাদনা করে মিথ্যা তথ্য–উপাত্ত প্রকাশ করেন।

সিআইডি ময়মনসিংহ কার্যালয়ের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান মামলার অভিযোগের বিষয়ে বলেন, উৎপল কর, জোসিদা খাতুন কোহিনুর ও সঞ্জীব ইসলাম নামে তিন ব্যক্তি নিজ নিজ ফেসবুক আইডি থেকে মিথ্যা তথ্য–উপাত্ত প্রকাশ করেন। জেলা আওয়ামী লীগ নেত্রী স্বপ্না খন্দকার ও তাঁর বোন লুৎফুন্নাহার লাকীর ছবি সম্পাদনা করে তাঁরা সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক, ময়মনসিংহ চেম্বার্স অব কমার্সের সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আমিনুল হক, নান্দাইলের সাংসদ আনোয়ারুল আবেদীন খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেনসহ আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের নামে মানহানিকার তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করে ফেসবুকে পোস্ট দেন।

এ ঘটনায় ময়মনসিংহ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপ্না খন্দকার বাদী হয়ে গত ২১ আগস্ট ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানায় পোস্টদাতা ওই তিনজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। পরে ৩০ সেপ্টেম্বর মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব নেয় ময়মনসিংহ সিআইডি পুলিশ। মামলায় তিন আসামির মধ্যে জোসিদা খাতুন কোহিনুরকে আজ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য দুই আসামিকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান সিআইডির পুলিশ সুপার।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন