বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় আহত সাংবাদিকেরা হলেন দৈনিক জনকণ্ঠের মহেশখালী উপজেলা প্রতিনিধি ফারুক ইকবাল, স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক ইনানীর উপজেলা প্রতিনিধি আ ন ম হাসান, দৈনিক কক্সবাজার বার্তার উপজেলা প্রতিনিধি এস এম রুবেল ও দৈনিক মেহেদী পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি এ কে রিফাত।

আহত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল রাতে তাঁরা শাপলাপুর ইউনিয়নের জাহিদা ঘোনা এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে মোটরসাইকেলে করে ফেরার পথে কালারমারদিয়া ঢালা এলাকায় পৌঁছালে মুখোশধারী কয়েকজন সন্ত্রাসী তাঁদের পথ রোধ করে প্রথমে সংবাদকর্মী আ ন ম হাসানের মোটরসাইকেল আটক করে। এ সময় সন্ত্রাসীরা হাসান ও তাঁর পেছনের থাকা রুবেলকে মারধর করে এবং হাসানের হাতে থাকা ঘড়ি ও ক্যামেরা ভেঙে দেয়। পরে পেছন থেকে ফারুক ও রিফাতের মোটরসাইকেল এলে সন্ত্রাসীরা ওই দুজনকেও মারধর করে। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা ওই চার সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে হুমকি দেয়, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ওসমান গনির বিরুদ্ধে আগামীতে আর কিছু লিখলে তাঁদের মেরে ফেলা হবে।

পরে আহত সাংবাদিকেরা মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় আজ শুক্রবার দুপুর একটা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আ ন ম হাসান অভিযোগ করে বলেন, সম্প্রতি শাপলাপুর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি ঘটনার বিষয়ে ওসমান গনিকে নিয়ে সংবাদকর্মীরা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করেছেন। এ ঘটনায় সাংবাদিকদের ওপর ওসমান গনি ক্ষুব্ধ ছিলেন। এই ক্ষোভ থেকে ওসমান গনির নির্দেশে সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে তাঁদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

তবে হামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে ওসমান গনি বলেন, হামলায় আহত সাংবাদিকদের সঙ্গে তাঁর কোনো বিরোধ নেই। এরপরও প্রতিপক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবে ঘটনা সাজিয়ে তাঁকে জড়ানোর চেষ্টা করছে।

জানতে চাইলে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল হাই প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে পুলিশ আইনি ব্যবস্থা নেবে। হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন