বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয়রা আলাউদ্দিনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে রাত সাড়ে নয়টার দিকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর একদল লোক আলাউদ্দিনের প্রতিপক্ষ মোহাম্মদ মামুনসহ চারটি বসতবাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। পরে এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে আগুন নেভায়। ঘটনার পরে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

পুলিশ জানায়, কালারমারছড়া ইউনিয়নের ছামিরাঘোনার বাসিন্দা মোহাম্মদ মামুনের সঙ্গে একই ইউনিয়নের মোহাম্মদ শাহঘোনার বাসিন্দা আলাউদ্দিনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের মধ্যেই দেড় বছর আগে মোহাম্মদ মামুনের বাবা মনজুর আলম কে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। মঞ্জুর হত্যা মামলায় আলাউদ্দিনকে ৪ নম্বর আসামি করা হলে দুই পক্ষের বিরোধ প্রকাশ্যে রূপ নেয়। নিহত আলাউদ্দিন কালারমারছড়া ইউনিয়নের মোহাম্মদ শাহঘোনার লেদু মিয়ার ছেলে।

আলাউদ্দিনের চাচাতো ভাই ও কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফ দাবি করেন, তার ভাইকে হত্যা করতে তিন দিন আগে কক্সবাজারের একটি হোটেলে সন্ত্রাসীরা বৈঠক করেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছে তিনি।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হাই বলেন, মঞ্জুর আলমের হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তার ছেলে মোহাম্মদ মামুনের সঙ্গে আলাউদ্দিনের বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন কুপিয়ে আলাউদ্দিন কে হত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করতে চেষ্টা করছে পুলিশ। আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে থানায় একটি হত্যাসহ দুটি মামলা থাকলেও এক বছর আগে ওই দুটি মামলায় জেল খেটে বের হন তিনি।

এ বিষয়ে কথা বলতে মোহাম্মদ মামুনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি। অপরদিকে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন