বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এলাকাবাসী ও ইয়ার মোহাম্মদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে ইয়ার মোহাম্মদের বাড়িতে তাঁর বোনের শ্বশুরবাড়ি থেকে কোরবানির মাংস পাঠায়। একই সময়ে নিজের শ্বশুরবাড়ি থেকেও কোরবানির পশুর মাংস আসে।

রাতের খাবার খাওয়ার সময় শ্বশুরবাড়ি ও বোনের বাড়ি থেকে আনা কোরবানির মাংস খাওয়া নিয়ে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে অভিমান করে ঘর থেকে বের হয়ে যান ইয়ার মোহাম্মদ।

রাত ১১টার দিকে ঘরের দরজা বন্ধ করে সন্তান মোহাম্মদ রাকিব (৫), নাফিজা বেগম (৩) ও ১৪ মাসের শিশুকন্যা মাইনুর বেগমকে বিষ দিয়ে নিজেও তা পান করেন মুর্শিদা আক্তার। পরে ছেলে-মেয়েদের কান্নাকাটি শুনে ওই বাড়িতে ছুটে যান প্রতিবেশীরা।

কিন্তু বাড়ির দরজা বন্ধ দেখে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। এ সময় দরজা ভেঙে প্রতিবেশীরা তাঁদের উদ্ধার করেন। প্রথমে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মহেশখালীর থানার ওসি (তদন্ত) আশিক ইকবাল বলেন, বুধবার রাতে একই পরিবারের চারজন বিষপান করে। এর মধ্যে ১৪ মাসের শিশু মারা যায়। বাকি তিনজনের মধ্যে মুর্শিদা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক। অন্য দুই ছেলে-মেয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন