বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিযানের একপর্যায়ে ডাকাত দলের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে মাইক্রোবাস, হাতুড়ি, স্ক্রু ড্রাইভার , ২টি টিপ ছুরি, গামছা, ১০টি মুঠোফোন, ১টি পাসপোর্ট ও ভিসার কপি জব্দ করা হয়।

নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার আলী হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ডাকাত দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় একাধিক দস্যুতা ও ডাকাতি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার মো. আবুল কালামের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানা এবং খুলনার খালিশপুর থানা এলাকায় বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে স্বর্ণের দোকান লুট, হালিশহরে ব্যাংক ডাকাতিসহ অসংখ্য ডাকাতির মামলা রয়েছে। তাঁদের রিমান্ডে এনে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

হোসেনের এ ঘটনার সূত্র ধরে চট্টগ্রামে আন্তজেলা ডাকাত দলের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, মাইক্রোবাসের চালক ও যাত্রী বেশে তাঁরা ডাকাতি ও খুন করেন। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ বিভিন্ন সড়কে তাঁরা ডাকাতি করেন। তবে লক্ষ্য করা যাত্রী বেশি ঝামেলা না করলে তাঁরা খুন করেন না, যাতে নিজেরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকতে পারেন।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগর পুলিশের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার অপরাধ ও অভিযান শামসুল আলম, নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার আলী হোসেন প্রমুখ।

গ্রেপ্তার ছয় ডাকাত হলেন মো. শাহ আলম (৩২), মো. আবুল কালাম (৪৭), মো. জাকির হোসেন (৩৬), মো. আল আমিন (২৯), মো.মিজানুর রহমান (৫৩) ও মো. নাহিদুল ইসলাম (৩১)। গতকাল বুধবার রাতে নগরের অলংকার মোড় এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। যৌথভাবে অভিযানে অংশ নেয় পাহাড়তলী, আকবরশাহ্‌ থানা ও নগর গোয়েন্দা পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ডাকাত দলের লক্ষ্যে থাকেন প্রবাসীরা। মাইক্রোবাসের ভেতরে অন্য প্রবাসীরা আছেন জানিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য তোলা হয়। কিছু দূর যাওয়ার পর লক্ষ্য করা যাত্রীর মালামাল ছিনিয়ে নেন তাঁরা। কেউ মালামাল দিতে দেরি করলে কিংবা চিৎকার করলে তাঁরা মারধর করেন। তা না হলে কাউকে খুন করতে চান না তাঁরা। কারণ, খুন করলে সহজে ধরা পড়ার ভয় থাকে। ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে থানায় মামলা হয়। মালামাল লুট করলেও অনেকে মামলা করেন না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন