default-image

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মাইক্রোবাসের সঙ্গে পাথরবাহী ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও আটজন। শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে পঞ্চগড়-বাংলাবান্ধা মহাসড়কের তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের মাঝিপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দুজন হলেন মাইক্রোবাসের যাত্রী সাবিনা ইয়াসমিন (৩৮) ও চালক স্বপন চন্দ্র রায় ওরফে হৃদয় (২৩)। সাবিনা তেঁতুলিয়া উপজেলা সদরের কলোনীপাড়া এলাকার ওষুধ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলামের স্ত্রী। চালক স্বপন চন্দ্র রায় উপজেলার তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়নের সরকারপাড়া-বুড়িমুটকি এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, পঞ্চগড় সদর উপজেলায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে দাওয়াত খাওয়ার পর শনিবার রাতে ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে তেঁতুলিয়ায় ফিরছিলেন। মাঝিপাড়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পাথরবোঝাই ট্রাক্টরের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়েমুচড়ে ঘটনাস্থলেই যাত্রী সাবিনা ইয়াসমিন ও চালক স্বপন চন্দ্র রায় মারা যান।

বিজ্ঞাপন

খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে স্থানীয় ব্যক্তিদের সহায়তায় ওই মাইক্রোবাসে থাকা ওষুধ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম (৪৬), তাঁর ছেলে ফয়সাল (১৬), মেয়ে রওনক জাহান (১২), বাবা ফুল মোহাম্মদ (৭৬), মা রকেয়া বেগম (৭০), রবিউলের স্বজন তহমিনা বেগম (৫০), তাঁর মেয়ে মিথিলা আক্তার (১৫), একই এলাকার আক্তারুজ্জামানের স্ত্রী রেনু বেগমকে (৪৪) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

তাঁদের মধ্যে ফুল মোহাম্মদ, রোকেয়া বেগম, রেনু বেগম, মিথিলা আক্তারের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

তেঁতুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল ইসলাম মাইক্রোবাস-ট্রাক্টর সংঘর্ষে দুজন নিহত ও আটজন আহত হওয়ার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘটনার পর পাথরবোঝাই ট্রাক্টরটি ফেলে চালক ও তাঁর সহকারী পালিয়ে গেছেন।

মন্তব্য পড়ুন 0