বিজ্ঞাপন

র‍্যাব জানিয়েছে, গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ফুলতলা থানার গাড়াখোলা গ্রামের একটি স্কুল মাঠ থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। তবে ওই দুই তরুণের পরিবারের অভিযোগ, মঙ্গলবার গভীর রাতে শ্যামপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁদের পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। গতকাল বুধবার এ অভিযোগে মাগুরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছিলেন ভুক্তভোগী পরিবারের এক সদস্য।
খুলনা র‍্যাব–৬–এর অধিনায়কের কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার রাত পৌনে আটটার দিকে অভিযান চালিয়ে ফুলতলা থানার গাড়াখোলা স্কুল মাঠ থেকে ইমরান ও সাইফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে উগ্রবাদী প্রচারপত্র উদ্ধার করা হয়। সাইফুল নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘আল্লার দলের’ মাগুরা সদর থানার নায়েক এবং ইমরান একই ইউনিটের উপনায়েক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব আরও জানায়, ওই দুজন ২০০৪ ও ২০০৮ সাল থেকে এই সংগঠনের সক্রিয় কর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এসব কথা তাঁরা স্বীকার করেছেন।
র‍্যাবের হাতে আটক ইমরানের বড় ভাই ওমর আলী জানান, ইমরান মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ থেকে সম্প্রতি বাংলায় স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার ভাই (ইমরান) পড়ালেখা শেষ করে বাড়িতে থেকে কৃষিকাজ করতেন। জঙ্গি বা এ ধরনের কোনো সংগঠনের কার্যক্রমে তাঁকে আমরা কখনো যেতে দেখিনি।’ একই ধরনের কথা বলেন আটক সাইফুলের ভাই হামিদুর রহমান। তিনি জানান, ‘সাইফুল পড়ালেখা তেমন একটা করেনি। সে বাড়িতে কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল।’
ওই দুজনের বিরুদ্ধে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলনা ফুলতানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাতাব উদ্দিন। তিনি মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাইফুল ইসলাম ও ইমরান হোসেন নামের দুই তরুণের নামে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়েছে। তাঁরা একটি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের সদস্য বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন