মানববন্ধনে অভিভাবকেরা সুপারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী ভর্তি ফি বাবদ ৩৯০ টাকা নেওয়ারও অভিযোগ করেছেন। অভিভাবকেরা বলেন, ২০১৫ সালের ১৪ অক্টোবর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে অধিদপ্তর পরিপত্র প্রকাশ করে ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি ফি মওকুফ করে। কিন্তু ২০১৯ সালে বর্তমান সুপার দায়িত্ব নেওয়ার পর ভর্তির টাকা দিতে হচ্ছে। এতে গত কয়েক বছরে শাহিদা খাতুন প্রায় সাত লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে তাঁরা অভিযোগ করেন।

তবে অভিভাবকদের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পিটিআই সুপার শাহিদা খাতুন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে এই প্রতিষ্ঠানের সদ্য সাবেক সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট কাজী আবদুল হালিম উঠেপড়ে লেগেছেন। তিনি সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় লেখালেখি করার কারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে আবদুল হালিমের বদলির আদেশ দিয়েছেন। এতে তাঁর (আবদুল হালিম) কোচিং ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে। এই বদলি ঠেকাতে তিনি আদালতে গেছেন। এর পাশাপাশি আমাকে দোষী করতে এ রকম নানা বানোয়াট অভিযোগ করে আসছেন। অভিভাবকদের ভুল বুঝিয়ে আসছেন।’

এ বিষয়ে জানতে সদ্য সাবেক সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট কাজী আবদুল হালিমকে একাধিকবার কল করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।

খুলনা বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোসলেম উদ্দিন মুঠোফোনে বলেন, ‘সুপার ও সহকারী সুপার দুজনের বিরুদ্ধেই অভিযোগ পেয়েছি। একজনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন হয়েছে। সবকিছুই তদন্ত করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সবাইকে শাস্তি পেতে হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন