ওই সময় মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাম গণতান্ত্রিক জোট মাগুরা জেলার সমন্বয়ক ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় নেতা কাজী নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য প্রকৌশলী শম্পা বসু, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি মাগুরা জেলা শাখার সভাপতি বীরেন বিশ্বাস, সদস্য সামছুন নাহার জোছনা প্রমুখ।

শম্পা বসু প্রথম আলোকে বলেন, ‘হামলার পর পাশেই অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে জানানো হয়। সেখান থেকে স্থানীয় সাংসদের (সাইফুজ্জামান শিখর) সহযোগিতায় মাইকের সেটবক্স ও মাইক্রোফোন ফেরত পাওয়া গেছে। জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে শান্তিপূর্ণ এ কর্মসূচিতে হামলার নিন্দা ও জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের দাবি করছি।’

জানতে চাইলে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাহিদ খান মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ ঘটনায় ছাত্রলীগের কেউ জড়িত নন। তবে তাঁরা আওয়ামী লীগের কর্মী বলে শুনেছি। ঘটনার পর বাম জোটের নেতারা সাংসদ সাইফুজ্জামান শিখরের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ছিনিয়ে নেওয়া মালামাল ফেরত দেওয়া হয় বলে জেনেছি।’

হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘এমন কোনো খবর পাইনি। এ বিষয়ে কেউ অভিযোগও করেননি। বিষয়টা খোঁজ নিয়ে দেখছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন