বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাময়িক বহিষ্কার হওয়া আওয়ামী লীগের নেতারা হলেন আঠারোখাদা ইউপির মো. বেনজির আহমেদ, কছুন্দি ইউপির বাকি বিল্লাহ, মঘী ইউপির মো. মিজানুর রহমান, জগদল ইউপির মো. জাহিদুল ইসলাম ও মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, বেরইল পলিতা ইউপির মো. এনামুল হক এবং কুচিয়ামোড়া ইউপির মো. টিপু সুলতান ও মো. মিলন হোসেন। তাঁরা সবাই নিজ নিজ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন। তাঁদের মধ্যে বেনজির আহমেদ ও এনামুল হক জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। অন্যরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পদে ছিলেন।

দ্বিতীয় দফায় ১১ নভেম্বর মাগুরা সদর উপজেলার ১৩টি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে হাজীপুর, হাজরাপুর ও বগিয়া ইউপিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের তিন প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হচ্ছেন।

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর ১৩ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ১৫ জনের মতো বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন। যাঁরা হয় দলীয় কোনো পদে আছেন বা দলের কাছে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তাঁদের প্রথমে নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়, যেন তাঁরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। দলের আহ্বানে কয়েকজন সাড়া দিলেও ছয়টি ইউনিয়নে আটজন বিদ্রোহী প্রার্থী ভোটের মাঠে থেকে যান। এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার জেলা আওয়ামী লীগের পরামর্শে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভায় তাঁদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

বহিষ্কার হওয়া প্রার্থীদের একজন জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও কছুন্দি ইউপির স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী বাকি বিল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি দলের একনিষ্ঠ কর্মী। জনগণকে নিয়েই দল। আমি এর আগে জনগণের ভোটে দুবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। এখন দল থেকে যদি কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাতে আমার কিছু করার নেই, আমি জনগণের সঙ্গেই আছি।’

মাগুরা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান প্রথম আলোকে বলেন, ‘এসব প্রার্থীর পক্ষে যদি কোনো নেতা কাজ করেন এবং সেটা যদি প্রমাণিত হয়, পরবর্তী সময়ে তাঁদেরও দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত আমরা বাস্তবায়ন করছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন