সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের বিষয়ে বলেন, ‘এটা অনেক প্রত্যাশিত সম্মেলন। মাগুরার মাটি আওয়ামী লীগের ঘাঁটি। এখানে অনেক যোগ্য নেতা রয়েছেন। সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে কাউন্সিলরদের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ও দলীয় সভানেত্রীর মতামতের ভিত্তিতে নেতা নির্বাচিত হবেন। আজকের এই দিনে আমাদের বার্তা হচ্ছে ভালো লোকদের দলে টানুন, খারাপ লোক বের করে দিন। আওয়ামী লীগে ভালো লোকের অভাব নেই।’

এর আগে বেলা ১১টার দিকে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতাদের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে এ সম্মেলন শুরু হয়। মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আ ফ ম আবদুল ফাত্তাহর সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ। তবে সম্মেলন চলাকালে তাঁর ভাই কাজী একরামুল্লাহর মৃত্যুর খবর পেয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন তিনি।

default-image

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর অপর সদস্য আবদুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মাগুরা ১ ও ২ আসনের সংসদ সদস্য যথাক্রমে সাইফুজ্জামান শিখর ও বীরেন শিকদার প্রমুখ। সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক।

সম্মেলন উপলক্ষে কয়েক দিন ধরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সকাল থেকে কর্মীদের মিছিল নিয়ে নোমানী ময়দানে জড়ো হন বিভিন্ন ইউনিটের নেতারা। দুপুরের পর শহরের শেখ কামাল ইনডোর স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় অধিবেশনে কাউন্সিলরদের উপস্থিতিতে নতুন কমিটির নেতা নির্বাচন করবেন কেন্দ্রীয় নেতারা।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, সবশেষ ২০১৫ সালের ৮ মার্চ মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে তৎকালীন সংসদ সদস্য সিরাজুল আকবর সভাপতি ও পঙ্কজ কুমার কুণ্ডু সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সম্মেলনের পরদিন সংসদ সদস্য মো. সিরাজুল আকবরের মৃত্যুর পর তানজেল হোসেন খান সভাপতির দায়িত্ব পান। দুই বছর আগে তাঁর মৃত্যুর পর থেকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আ ফ ম আবদুল ফাত্তাহ।

বিএনপি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় ১৯৯৪ সালে মাগুরা-২ আসনে উপনির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ উঠে। এরপর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আন্দোলনের মুখে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি সংবিধানে যোগ করতে বাধ্য হয়েছিল বিএনপি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন