বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ শনিবার ভৈরবে মেঘনা নদীতে ভ্রমণের সময় হাইকমিশনার হারিস বিন ওসমান এসব কথা বলেন। সকাল নয়টার দিকে ভৈরবে পৌঁছান তিনি। পরে ভ্রমণে যান মেঘনা নদীতে।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ব্রুনাই ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি রয়েছে, যার মধ্যে মাছবিষয়ক একটি চুক্তি আছে। বাংলাদেশ থেকে মাছ উৎপাদনে প্রযুক্তি ও দক্ষ বিশেষজ্ঞদের ব্রুনাইয়ে নেওয়া হবে। সেখানে এসব প্রয়োগ করে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা চালানো হবে। মাছের বিষয়ে বড় কোনো উদ্যোক্তা যদি ব্রুনাইয়ে বিনিয়োগ করতে চান, সেই সুযোগও দেওয়া হবে।

আমরা ব্রুনাইয়ে মাছ উৎপাদনকে আরও উন্নত ও গতিশীল করতে চাই। এ অঞ্চলে মাছ উৎপাদনে যাঁরা দক্ষ আছেন, তাঁদের আমরা ব্রুনাইয়ে নিয়ে যেতে চাই।
হারিস বিন ওসমান, ব্রুনাইয়ের হাইকমিশনার

হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন ওসমান ভৈরবে এসে প্রথমে আনোয়ারা জেনারেল হাসপাতাল (প্রাঃ) নামে একটি বেসরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। তখন হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুল হক হাইকমিশনারকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাদিকুর রহমানও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।

হাইকমিশনারের মুখপাত্র সাইমন হোসাইন সাঈফ জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ সালে ব্রুনাইয়ে সফর করেন। সে সময় ব্রুনাইয়ের সুলতান হাসসান আল-বলকিয়াহর উপস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে পাঁচটি বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর একটি হচ্ছে মিঠাপানির মৎস্য আহরণ ও এ ক্ষেত্রে ব্রুনাই কীভাবে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে-নিতে পারে এ–সংক্রান্ত। বাংলাদেশ হচ্ছে মিঠাপানির মাছের জন্য সারা বিশ্বের মধ্যে চতুর্থ। কিশোরগঞ্জ এলাকা এই মাছের অন্যতম আধার। চুক্তি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় সরেজমিনে এই এলাকা পরিদর্শন করে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করবেন হাইকমিশনার। পরবর্তীত সময়ে এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন। সফরে হাইকমিশনার হারিস বিন ওসমানের সঙ্গে রয়েছেন তাঁর সহকারী সায়েদাত হোসাইন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ড্রিম ফর ডিজঅ্যাবিলিটি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা হেদায়েতুল আজিজ মুন্না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন