বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মমতাজ আলীর স্বজনেরা বলেন, তিনি মৃগী রোগী ছিলেন। ওই রোগের কারণে তিনি পানিতে পড়ে মারা যেতে পারেন। স্থানীয় কাউন্সিলর আবদুল হান্নানও একই কথা বলেন।

বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ প্রথম আলোকে বলেন, মমতাজ আলী মৃগী রোগী ছিলেন। তাঁর চিকিৎসার কাগজপত্র দেখে ও পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে মৃগীরোগের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পর লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন