বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ধরমপাশা সদর ইউনিয়নের দেওলা গ্রামের কাছে চন্দ্র সোনার থাল হাওরে এ ফসল রক্ষা বাঁধের অবস্থান। গত অর্থবছরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অধীন প্রায় ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে বাঁধটি পুনর্নির্মাণ ও মেরামতের কাজ হয়।

দুই সপ্তাহ আগে এ বাঁধের তিন স্থানের প্রায় ১০ ফুট করে রাতের আঁধারে কেটে দেয় দুর্বৃত্তরা। পরে পানির তোড়ে কাটা স্থানগুলো এখন ৩০-৪০ ফুট ভেঙে গেছে। উপজেলার জানিয়ারচর গ্রামের শফিকুল ইসলামের (৩৮) নেতৃত্বে কয়েকজন জেলে সেখানে জাল পেতে সপ্তাহখানেক ধরে মাছ শিকার করছেন। তিনি জানিয়ারচর গ্রামের বাসিন্দা। এ কাজে ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় এক নেতার ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ আছে।

তবে শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ফসল রক্ষা বাঁধ কেটে মাছ শিকারের সঙ্গে আমার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। কে বা কারা বাঁধ কেটেছে, আমি তা জানি না। বিপদে ফেলার জন্য আমাকে জড়িয়ে এ ধরনের অপপ্রচার চলছে।

উপজেলা কাবিটা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ কমিটির মাধ্যমে এ ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ হয়েছিল। এ কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্বে থাকা সুনামগঞ্জ পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী ইমরান হোসেন বলেন, সরেজমিনে বাঁধটি দেখার পর যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনতাসির হাসান বলেন, ‘আমি ঘটনাটি শুনেছি। ফসল রক্ষা বাঁধ কেটে মাছ শিকার করা সম্পূর্ণভাবে বেআইনি। সরকারি সম্পদ বিনষ্টকারীরা যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, তাঁদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন