ওই ফেরিতে থাকা যাত্রী বিপ্লব ঘোষ প্রথম আলোকে বলেন, ‘শিমুলিয়া ঘাট থেকে এক কিলোমিটার পথ যাওয়ার পর ফেরিটির ইঞ্চিনে ত্রুটি দেখা দেয়। এরপর ফেরিটি মাঝপদ্মায় ঘুরতে থাকে। ফেরিটি উদ্ধারে তাৎক্ষণিকভাবে কেউ এগিয়ে আসেনি। এ সময় ঘাট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অনেকবার যোগাযোগ করেছি। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে একটি ঠেলা ফেরি তাঁদের উদ্ধার করে ফের শিমুলিয়া ঘাটে নিয়ে যায়।’

জাহিদ হাসান নামের আরেক যাত্রী বলেন, ‘ফেরির ইঞ্জিন বন্ধ হওয়ার পর আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ৯৯৯-এ ফোন করে সহযোগিতা চেয়েছিলাম। সেখান থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে বিআইডব্লিটিসি, বিআইডব্লিটিএর সঙ্গেও যোগাযোগ করি। তবে শুরুতে উদ্ধারে কোনো তৎপরতা ছিল না। যাত্রীরা ফেরিতে আটকা পড়ে সবাই ছোটাছুটি করছিলেন।’

default-image

জানতে চাইলে বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটের মেরিন কর্মকর্তা আহমেদ আলী বলেন, ফেরি ফরিদপুরের ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছিল। তবে খবর পাওয়ার পরই ফেরিটি দ্রুত উদ্ধারের জন্য চেষ্টা করা হয়েছে।

বাংলাবাজার ফেরিঘাটের টার্মিনাল সুপারভাইজার (বিআইডব্লিউটিসি) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, ফেরিটি কারিগরি ত্রুটির কারণে মাঝপদ্মায় থেমে গিয়েছিল। তাৎক্ষণিক ত্রুটি মেরামতে ফেরির মাস্টার চেষ্টা করেছেন। তবে সমাধান না হওয়ায় ফেরিটি শিমুলিয়া ঘাটে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

বিআইডব্লিউটিসি বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাবাজার-শিমুলিয়া ও শিমুলিয়া-মাঝিকান্দি নৌপথে ১০টি ফেরি সচল ছিল। বর্তমানে ফেরি ফরিদপুর বিকল হওয়ায় ৯টি চলছে। এর মধ্যে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে পাঁচটি ফেরি আছে। আজ শুক্রবার সকাল থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড় বাড়ছে। চাপ সামলানোর চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন