বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে চারজন লোক ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর আমিন নিখোঁজ হন। পরে পুলিশ অনুসন্ধান চালিয়ে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে আটক করে। তাঁরা তিনজন হলেন উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ১৪ নম্বর হাকিমপাড়া রোহিঙ্গা শিবিরের ই-৩ ব্লকের বাসিন্দা মো. সালামের ছেলে মোহাম্মদ ইসলাম (২২), শিবিরের একই ব্লকের মো. কাশেমের ছেলে আবদুল মোনাফ (২৬) ও মোহাম্মদ সালামের ছেলে মো. ইলিয়াছ (২৮)।

আটক আসামিদের বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শিহাব কায়সার খান জানান, তিনজনকে আটকের পর তাঁদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরের পরিত্যক্ত ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে আমিনের লাশ উত্তোলন করা হয়। এরপর নিহত ব্যক্তির স্ত্রী হাসন বশর স্বামী নিখোঁজের সময় পরনে থাকা কাপড়, প্যান্ট, বেল্ট দেখে লাশটি শনাক্ত করেন। এর আগে ১৭ জানুয়ারি চারজন অপহরণকারীরা রোহিঙ্গা শিবিরের ঘর থেকে কাজের কথা বলে আমিনকে নিয়ে যান। পরে অপহরণকারীরা আমিনকে হাত-মুখ বেঁধে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। পরে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ হিসেবে ৮০ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন।

আমিনের সংসারে হাসন বশর ও মাজেদা নামের দুজন স্ত্রী। বড় স্ত্রীর দুই মেয়ে, চার ছেলে থাকলেও ছোট স্ত্রীর ঘরে কোনো সন্তান নেই। তাঁরা একই সঙ্গে বসবাস করতেন।
হাসন বশর মুঠোফোনের প্রথম আলোকে জানান, ঘটনার দিন বিকেলে চারজন লোক কাজের কথা বলে আমিনকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যান। ওই দিন তিনি আর ঘরে ফিরে আসেননি। পরের দিন মুক্তিপণ হিসেবে ৮০ হাজার টাকা দাবি করলে ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এর পর থেকে তাঁদের (অপহরণকারীদের) সঙ্গে আর কোনো কথা হয়নি। অবশেষে গতকাল সন্ধ্যায় উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

মোহাম্মদ শিহাব কায়সার খান জানান, আমিনের লাশ উত্তোলন করার পর গতকাল রাতে ময়নাতদন্তের জন্য উখিয়া থানা–পুলিশের মাধ্যমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন