বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, বছর দুয়েক আগে পাউবোর তত্ত্বাবধানে খালটির খননকাজ করা হয়। পর্যাপ্ত জায়গা ও ঢালু না রেখে খাল খনন করা হয়। এমনকি সেতুসহ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে গার্ডার, সিসি ব্লক, জিও ব্যাগসহ প্রয়োজনীয় সুরক্ষার ব্যবস্থার প্রয়োজন থাকলেও করা হয়নি। ফলে গত দুই বছরে বর্ষাকালে খাল দিয়ে পানি প্রচণ্ড বেগে প্রবাহিত হওয়ায় সেতুর নিচে এবং পাশ থেকে মাটি ধসে যায়। এলাকার প্রায় এক কিলোমিটারজুড়ে খালের দুই পাশ বেশি ধসে পড়ে। ছয়–সাতটি পরিবার অন্যত্র সরে যেতে বাধ্য হয়।

দেবগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুল ইসলাম বলেন, যেকোনো মুহূর্তে সেতুটির সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। অনতিবিলম্বে সেখানে নতুন করে সেতু নির্মাণের দাবি জানান তিনি।

উপজেলা প্রকৌশলী বজলুর রহমান খান বলেন, খাল খননের কারণে পাকা সড়কের অনেক স্থানে ধসে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ১৬ নভেম্বর নির্বাহী প্রকৌশলীকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন