বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image
ইতিমধ্যে কিছু শিম তুলে বিক্রি করেছি ৭০-৮০ টাকা কেজিতে। শীত শুরুর আগে আগে শিম বিক্রি করতে পারলে লাভ বেশি হবে। সেভাবেই শিমের খেত তৈরি করেছি।
মনোয়ার হোসেন, শিম চাষি

আজ বৃহস্পতিবার সকালে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার রানীপুকুর এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠের পর মাঠজুড়ে শিমখেত, যা অপরূপ সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে। শিমের গাছ, পাতা-ফুল বাতাসে দোল খাচ্ছে। পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা।

রানীপুকুর ইউনিয়নের খানপাড়া গ্রামের মনোয়ার হোসেন এ বছর নিজের ৪০ শতাংশ জমিতে শিম আবাদ করেছেন। কথা হয় তাঁর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে কিছু শিম তুলে বিক্রি করেছি ৭০-৮০ টাকা কেজিতে। শীত শুরুর আগে আগে শিম বিক্রি করতে পারলে লাভ বেশি হবে। সেভাবেই শিমের খেত তৈরি করেছি।’

default-image

একই এলাকার কৃষক পারভিন বেগম বলেন, এবার ৫০ শতাংশ জমিতে শিম আবাদ করেছেন তিনি। গত বছর এ সময় অতিবৃষ্টিতে শিমখেত নষ্ট হয়েছে। তাই খুব একটা লাভ হয়নি তাঁর। এবার আগাম জাতের শিম বিক্রি করে বেশ দাম পাচ্ছেন। এক সপ্তাহের মধ্যে ভালো দামে আরও বেশি শিম বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন।

গ্রামের চাষিরা বলেন, মৌসুমের শুরুর দিকে ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে জমি থেকেই শিম নিয়ে যান ব্যবসায়ীরা। তবে অল্প কিছুদিন পর বাজারে আমদানি বেড়ে গেলে দামও নেমে আসে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। তারপরও ভালো লাভ হয়।

এদিকে রংপুর নগরের সিটি বাজারে আজ শিম বিক্রি হচ্ছে খুচরা ১২০ টাকা কেজি। এক সপ্তাহ আগে ছিল ১৫০-১৬০ টাকা কেজি।

শীতকালীন সবজির এখনো লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়নি। তবে গত বছর রবি মৌসুমে এই জেলায় ৫৪৫ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজির আবাদ হয়েছিল।
default-image

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, শীতকালীন সবজির এখনো লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়নি। তবে গত বছর রবি মৌসুমে এই জেলায় ৫৪৫ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজির আবাদ হয়েছিল।

রংপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ওবায়দুর রহমান মণ্ডল প্রথম আলোকে বলেন, রংপুরের মিঠাপুকুর এলাকা সবজি চাষের জন্য বেশ উপযোগী। শীতকালীন সবজি শিম আগাম বাজারে নিয়ে আসতে হলে মার্চ-এপ্রিলে জমিতে লাগাতে হয়। মে-জুনেও লাগানো হয়ে থাকে। এ বছর প্রকৃতি অনুকূলে থাকায় সবজির চাষাবাদ ভালো হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভালো উৎপাদনের জন্য কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা ও পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন