default-image

বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন শফিউল ইসলাম (২৫)। রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। সকালে বাড়ি থেকে মাত্র ১৫০ গজ দূরে মিলেছে শফিউলের মরদেহ। মাথা পলিথিনে মোড়ানো, গলায় রশি বাঁধা অবস্থায় তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

শফিউল রাজশাহী কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তর শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর বাড়ি রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কামারপাড়া টাঙন গ্রামে। তাঁর বাবার নাম সাইদুল ইসলাম।

মোহনপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তৌহিদুর রহমান বলেন, রোববার (২৪ জানুয়ারি) সকালে বাড়ি থেকে ১৫০ গজ দূরে আমবাগানে শফিউলের মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন। তারা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে বিকেল পৌনের চারটার দিকে লাশ থানায় নিয়ে আসেন। সোমবার ময়নাতদন্তের জন্য লাশ রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হবে।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক থাকতে পারে।

পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, শনিবার রাত আটটার দিকে এক বন্ধুর সঙ্গে যাওয়ার কথা বলে শফিউল বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরে আর রাতে বাড়িতে ফিরে ফেরেননি। সকালে বাড়ির পাশেই আমবাগানে তাঁর মরদেহ পাওয়া যায়।
পরিদর্শক তৌহিদুর রহমান বলেন, নিহত শফিউলের মরদেহের মাথা, কপাল ও চোখের নিচে জখম পাওয়া গেছে। পলিথিন দিয়ে তাঁর মাথা প্যাঁচানো ছিল। গলায় রশি বেঁধে টেনে আনা হয়েছে। এ সময় কোথাও যাতে রক্ত না পড়ে, সে জন্য পলিথিন দিয়ে তার মাথা জড়ানো ছিল বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক থাকতে পারে। এ ঘটনায় নিহত কলেজছাত্রের বাবা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করবেন। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন