মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন সদানন্দ কুমার মণ্ডল (এপিপি)। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, আসামি সোহেল মোল্লা আদালতের কাছে দোষ স্বীকার করে আর কখনো এমন কাজ করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এ কারণে আদালত তাঁকে আটটি শর্তে অন্তবর্তীকালীন মুক্তি দিয়েছেন। আগামী এক বছর তাঁকে ওই শর্তগুলো মেনে চলতে হবে। প্রতি মাসে কমপক্ষে দুবার প্রবেশন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করে কাজের অগ্রগতি জানাতে হবে। শর্ত ভঙ্গ করলে আসামির অন্তবর্তীকালীন মুক্তি বাতিল হবে ও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

সোহেল মোল্লাকে যেসব শর্তে অন্তবর্তীকালীন মুক্তি দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো—তিনি কখনো মাদক সেবন, ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহন করতে পারবেন না, ধূমপানও করতে পারবেন না। প্রতি মাসে এক দিন খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে অংশ নিতে হবে। মাদকবিরোধী আন্দোলন ও জনসচেতনতায় ব্যক্তিগতভাবে অংশ নিতে হবে। মাদকবিরোধী কার্যক্রমে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে খুলনার প্রবেশন কর্মকর্তার নির্দেশে বিভিন্ন সভা-সেমিনারে উপস্থিত থাকতে হবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ সম্পূর্ণ পড়তে হবে এবং তা খুলনার প্রবেশন কর্মকর্তাকে অবহিত করতে হবে। তাঁকে নিজের বাড়ির আঙিনায় ও গ্রামের রাস্তার পাশে ১০টি করে ফলজ ও বনজ বৃক্ষ লাগাতে হবে। তাঁর বৃদ্ধ বাবা-মার ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে হবে। আর শেষ শর্তে বলা হয়েছে, প্রতি মাসে ন্যূনতম দুবার খুলনার প্রবেশন কর্মকর্তার সঙ্গে তাঁর দেখা করতে হবে ও কাজের অগ্রগতি জানাতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন