বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, কোহিনূর বেগমের স্বামী আইউব আলী মৃধা মারা গেছেন। একমাত্র ছেলে শফিকুলকে বিয়ে দিয়েছেন। শফিকুল এখন তিন সন্তানের বাবা। তবে সংসারের কোনো দায়িত্ব পালন না করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা সেবন ও বিক্রি করে আসছিলেন। মা কোহিনূরসহ পরিবারের সদস্যরা বাধা দিয়েও তাঁকে মাদক সেবন ও বিক্রি থেকে ফেরাতে পারেননি। এ নিয়ে প্রায়ই তাঁদের ঝগড়া হয়। গতকাল শুক্রবার বিকেলে শফিকুলের কাছে আবার ইয়াবা দেখতে পান কোহিনুর। এ সময় তিনি চিৎকার করে আশপাশের লোকজন জড়ো করেন।

আজ শফিকুলকে জেলার আমলি আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এলাকার বাসিন্দারা জানান, কোহিনূর বেগমের চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে এলাকার লোকজন এগিয়ে যান। তখন কোহিনূর বলেন, তাঁর ছেলের কাছে ইয়াবা আছে। এলাকাবাসী শফিকুলকে ধরে ভাঙ্গা থানা-পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে শফিকুলকে ১২টি ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

শফিকুলের মা কোহিনূর বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে হাবিজাবি (মাদক) খেয়ে আসছে। আমি বহু চেষ্টা করেও তাকে ভালো করতে পারিনি। ও শুধু সংসারই শেষ করেনি, আশপাশের পোলাপানরেও নষ্ট করছে। শেষ পর্যন্ত আমি বাধ্য হয়েছি আমার একমাত্র ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে।’

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ বলেন, গতকাল বিকেলে কোহিনূর বেগমের ফোন পেয়ে তাঁরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শফিকুলকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসেন। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছে। শফিকুল মাদক সেবনকারী ও মাদক ব্যবসায়ী। আজ শফিকুলকে জেলার আমলি আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন