বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন শেখ ওমর ফারুক। তিনি এই ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান এবং সদর উপজেলা পরিষদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমানের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে গত ৫ আগস্ট ঢাকার শাহবাগ থানায় মাদকের মামলা হয়েছে। ঢাকার শাহবাগ এলাকার (ময়মনসিংহ রোড) হোটেল পিকক লিমিটেড থেকে অবৈধভাবে মজুত করা বিপুল পরিমাণ দেশীয় মদ, বিদেশি মদ ও বিয়ার (মাদকদ্রব্য) উদ্ধারের ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় তিনি ৬ নম্বর আসামি।

আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ২৯ নভেম্বর সদর উপজেলার ১১ ইউপিতে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ে তৃণমূলের ভোটের আয়োজন করে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ। যেসব ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে চারজন মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন, সেসব ইউপিতে প্রার্থী বাছাইয়ে ভোট হয়নি। চারজন প্রার্থীর নাম কেন্দ্রে পাঠানো হয়। আর যেসব ইউপিতে চারজনের বেশি প্রার্থী ছিলেন, সেসব ইউপিতে তৃণমূলের ভোটের মাধ্যমে তিনজনের নাম বাছাই করা হয়।

সদর উপজেলার মজলিশপুর ইউনিয়নে তৃণমূলের ভোটে প্রথম হয়েছিলেন বশির আহমেদ। কিন্তু দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন তৃণমূলের ভোটে দ্বিতীয় হওয়া বর্তমান চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম। সুহিলপুর ইউপিতে তৃণমূলের ভোটে প্রথম হন বর্তমান চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজাদ হোসেন হাজারী ওরফে আঙ্গুর। দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন ভোটে তৃতীয় হওয়া সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আবদুর রশিদ ভূইয়া। বাসুদেব ইউপিতে ভোটে প্রথম হয়েছিলেন নূরে আলম। দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন ভোটে পঞ্চম হওয়া বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এম আলম ভূইয়া। তালশহর পূর্ব ইউনিয়নে তৃণমূলের ভোটে প্রথম হয়েছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর ছিদ্দিক। দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন ভোটে তৃতীয় হওয়া আবদুস সালাম।

জানা গেছে, সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউপিতে চারজন প্রার্থী থাকায় তৃণমূলের কোনো ভোট হয়নি। এই ইউনিয়নে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান শেখ ওমর ফারুক। গত ইউপি নির্বাচনে নাটাই দক্ষিণ ইউপিতে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মো. নাজমুল হক। এবার তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন।
তালশহর পূর্ব ইউপি থেকে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী আবু বকর ছিদ্দিক বলেন, ‘তৃণমূলের ভোটে প্রথম হয়েও দলীয় মনোনয়ন পাইনি। বিষয়টি আমার বোধগম্য হচ্ছে না। কী করব, দলীয় সিদ্ধান্তের ওপর তো আমাদের কোনো হাত নেই।’

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার জানান, জেলা থেকে পাঠানো তালিকায় প্রার্থীদের কার কী অবস্থান উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে তৃণমূলের মতামত তুলে ধরা হয়। কেন্দ্রীয় নেতারা এই তালিকার পাশাপাশি বিভিন্নভাবে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছেন। ভোটে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হয়ে আসবেন বলে তিনি আশাবাদী।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন